পানাজি: গোলরক্ষক শংকর রায়কে ছেড়ে হায়দরাবাদ এফসি থেকে সুব্রত পালকে নিজেদের দলে চুড়ান্ত করে ফেলল এসসি ইস্টবেঙ্গল। মরশুমের মাঝপথে দু’পক্ষের মধ্যে এই সোয়াপ ডিলটি চূড়ান্ত হল লোনেই। চলতি মরশুমের শেষ অবধি সুব্রত পালকে চুক্তিবদ্ধ করল কলকাতা জায়ান্টরা।

গতবছর ডিসেম্বরে নিজামদের হয়ে শেষ ম্যাচটি খেলেছিলেন ভারতীয় ফুটবল সার্কিটে অভিজ্ঞ নাম সুব্রত পাল। এরপর চোটের কারণে সোদপুরের মিষ্টুকে সরিয়ে হায়দরাবাদের প্রথম একাদশে নিয়মিত হয়ে উঠেছেন লক্ষীকান্ত কাট্টিমনি। চলতি মরশুমে এখনও অবধি হায়দরাবাদের জার্সি গায়ে ছ’টি ম্যাচ খেলেছেন সুব্রত পাল। যার মধ্যে দু’টিতে ক্লিন শিট রেখেছেন তিনি। প্রথম লেগে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে হায়দরাবাদ দুর্গের শেষ প্রহরী হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছিলেন জাতীয় দলের প্রাক্তন পয়লা নম্বর গোলরক্ষক। ওই ম্যাচে সুব্রতকে পরাস্ত করে জোড়া গোল করেছিলেন জাক ম্যাঘোমা। যদিও ম্যাচটা ২-৩ গোলে হারতে হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে।

হাঁটুর চোট সারিয়ে সুব্রত এখন সম্পূর্ণ সুস্থ। কিন্তু তারপরেও কাট্টিমনিকে সরিয়ে হায়দরাবাদের প্রথম একাদশে স্থান করে নিতে পারছিলেন না মিষ্টু। এদিকে দেবজিতের স্বপ্নের ফর্ম অব্যাহত থাকলেও তাঁর পাশে বহুদিন ধরেই একজন অভিজ্ঞ গোলরক্ষককে স্কোয়াডে চাইছিল ফাওলার ব্রিগেড। জানুয়ারি ট্রান্সফার উইন্ডোর শুরুতে ইস্টবেঙ্গল আরেক বাঙালি গোলরক্ষক শুভাশিস রায়চৌধুরিকে নর্থ-ইস্ট থেকে নেওয়ার ব্যাপারে অনেকদূর এগোলেও তা শেষমুহূর্তে দিনের আলো দেখেনি। এরপর সুব্রতকে দলে নেওয়ার ইচ্ছেপ্রকাশ করে লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। আইএসএলে মুম্বই সিটি এফসি, নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেড, জামশেদপুর এফসি, হায়দরাবাদ এফসি’র জার্সি গায়ে ৯১ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে সুব্রতর ঝুলিতে। যার মধ্যে ২৮টি’তে ক্লিন শিট রয়েছে সুব্রতর, যা আইএসএল ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

যদিও কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়েই এখনও অবধি আইএসএলে শেষ চারে যেতে পারেননি সুব্রত। দেবজিতের পাশাপাশি সুব্রতর অভিজ্ঞতা ইস্টবেঙ্গলকে গোলরক্ষক বিভাগে বাড়তি ভরসা দেবে সেকথা বলাই যায়। কিন্তু দেবজিত যা ফর্মে রয়েছেন তাতে সুব্রত প্রথম একাদশে কতটা সুযোগ পানা এখন সেটাই দেখার। কেরিয়ারে লাল-হলুদ জার্সি গায়ে এটা সুব্রতর দ্বিতীয় ইনিংস। এর আগে ২০০৮-০৯ ইস্টবেঙ্গলের হয়ে ফেডারেশন কাপ জিতেছিলেন সুব্রত।

অন্যদিকে ২০১৯-২০ মরশুমে মোহনবাগানের আইলিগ জয়ের অন্যতম কান্ডারি শংকর রায় চলতি মরশুমে একটি মাত্র ম্যাচেই মাঠে নেমেছিলেন। তবুও চোটের কারণে মাঝপথে উঠে যেতে হয় তাঁকে। জামশেদপুরের বিরুদ্ধে ম্যাচটা ক্লিন শিট রেখেছিল দশজনের ইস্টবেঙ্গল। বাকি সময়টা লাল-হলুদের গোলদুর্গ সামলে এসেছেন দেবজিতই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।