স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: পুজো নিয়ে হাইকোর্টের রায়ে আক্ষেপের সুর রাজ্যের মন্ত্রী তথা একডালিয়া এভারগ্রিন-এর পুজো উদ্যোক্তা সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের গলায়। বুধবার আদালতের রায় প্রসঙ্গে বলেছেন, “এই রায় আগে এলে অর্থ বাঁচত। আর আমরাও সুবিধাজনক জায়গায়া থাকতাম।”

রাজ্যের আর এক মন্ত্রী তথা চেতলা অগ্রনীর পুজো উদ্যোক্তা ফিরহাদ হাকিম এই রায় প্রসঙ্গে বলেন, “তাঁর নিজের পুজো নিয়ে বিশেষ চিন্তা নেই। কেননা তাঁদের মণ্ডপে প্রায় ৩০ ফুট দূরত্ব রাখা হয়েছে। মানুষ এখনও ঠাকুর দেখছেন। পরেও দেখবেন। দূর থেকেই দেখবেন। অসুবিধা হবে না। কিন্তু অন্যান্য পুজো নিয়ে তাঁর খারাপ লাগছে।”

পুরোমন্ত্রী জানিয়েছেন, ছোটদের জন্য তাঁর সব চেয়ে খারাপ লাগছে । তিনি বলেন, ছোটরা আটমাস ঘরবন্দি। স্কুল নেই। পার্ক বন্ধ। অনলাইন পড়ায় ক্লান্ত ছোটরা হয়তো এই পুজোয় একটু আনন্দ করতে পারত। কিন্তু পারবে না।

মণ্ডপে দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় এই রায় দেন। বুধবার তাঁদের এজলাসে রিভিউ পিটিশনের শুনানি ছিল। এদিন শুনানির দু’টি ক্ষেত্রে সামান্য ছাড় দিয়ে কার্যত আগের রায়ই বহাল রেখেছেন দুই বিচারপতি। আদালত জানায়, বড় পুজোগুলোর মণ্ডপে কমিটির ৬০ জন সদস্য থাকতে পারবেন। একসঙ্গে সর্বোচ্চ ৪৫ জন মণ্ডপে ঢুকতে পারবেন। অন্য দিকে ছোট পুজোর ক্ষেত্রে নো এন্ট্রি জোনে ঢোকার জন্য ৩০ জনের তালিকা রাখা গেলেও একসঙ্গে ১৫ জনের বেশি ঢুকতে পারবেন না।

এদিন সকালে শুনানি শুরু হলে কলকাতার দুর্গাপুজো কমিটিগুলির যৌথ ফোরামের তরফে আবেদনে বলা হয়, তারা কোনও ছাড় চাইছেন না। শুধু মণ্ডপগুলোতে যেন স্থানীয়দের সপ্তমী থেকে নবমী পর্যন্ত প্রবেশের অধিকার দেওয়া হয়। যাতে তাঁরা পুজো দিতে পারেন। তাঁদের প্রবেশ ও বেরিয়ে যাওয়ার জন্য আলাদা পথ থাকবে।কিন্তু আদালত সরাসরি সেই আবেদন মেনে নেয়নি। তবে জানিয়েছে, পুজো কমিটির ৬০ জনের তালিকা রোজ পরিবর্তন যোগ্য।

এছাড়াও মণ্ডপের ভিতরে অঞ্জলি, সিঁদুর খেলায় অনুমতি দেয়নি কলকাতা হাইকোর্ট। সন্ধিপুজোর সময় নির্ধারিত সংখ্যার বেশি মানুষ মণ্ডপে থাকতে পারবেন না বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তবে বুধবারের রায়ে ঢাকিদের নো এন্ট্রি জোনে ঢোকার অনুমতি দিয়েছে হাইকোর্ট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.