নিউজ ডেস্ক: তিনি মহানগর কলকাতার মেয়র ছিলেন। মেয়র হিসেবে তাঁর কাজ নিয়ে এখনও প্রশংসা করেন শহরবাসী। পরে বিধায়ক হয়ে রাজ্যের মন্ত্রীও হয়েছেন। কিন্তু কিছুতেই ভাগ্যের শিকে ছিঁড়ছে না লোকসভার ক্ষেত্রে।

আলোচিত ব্যক্তির নাম সুব্রত মুখোপাধ্যায়। সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে তিনি বাঁকুড়া কেন্দ্রের তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন। রাজ্যের শাসকদলের প্রার্থী এবং রাজ্যের মন্ত্রী হয়েও তাঁকে হারতে হয়েছে বিজেপি প্রার্থীর কাছে।

লোকসভা নির্বাচনে এই পরাজয় সুব্রতবাবুর কাছে নতুন নয়। এক দশক আগে এই বাঁকুড়া কেন্দ্র থেকে পরাস্ত হয়েছিলেন তিনি। ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বাঁকুড়ার কংগ্রেস প্রার্থী ছিলেন সুব্রতবাবু। সেই সময়ে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে লড়াই করেছিল তৃণমূল। রাজ্য জুড়ে প্রবল বাম বিরোধী হাওয়ার মাঝে জোট প্রার্থীরা ২৬টি আসন পেয়েছিল।

সেই পরিবর্তনের হাওয়ার মাঝেও জিততে পারেননি সুব্রত মুখোপাধ্যায়। সিপিএম প্রার্থী বাসুদেব আচারিয়ার কাছে এক লক্ষেরও বেশি ভোটে হেরে গিয়েছিলেন তিনি। এরপরে ২০১০ সালে তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হয়ে জিতেছিলেন তিনি। তাঁকে রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

২০১৪ সালে বাঁকুড়া কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী করে মুনমুন সেনকে৷ দলীয় প্রার্থীকে জেতাতে কিন্তু সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে রীতিমতো সভা করতেও দেখা গিয়েছিল এবং শেষ হাসি হাসতে পেরেছিল তৃণমূল৷ সেবার বাসুদেব আচারিয়াকে হারিয়ে মুনমুন সেন জয়ী হয়েছিলেন৷ তবে ২০১৯ সালের লোকসভায় বাঁকুড়ায় মুনমুনকে প্রার্থী না করা হলেও তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছে আসানসোল কেন্দ্র থেকে আর বাঁকুড়া কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয় সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে৷ চেনা ময়দানে এবারেও ঘাস ফুল ফোটাতে ব্যর্থ হয়েছেন সুব্রতবাবু।