ফাইল ছবি

কলকাতা:সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অম্ল মধুর সম্পর্ক থাকলেও এবারের নির্বাচনে তৃণমূল নেত্রী তাঁর উপরেই ভরসা রাখলেন। যেখানে এবারে বিধানসভায় প্রার্থী তালিকা বের করতে গিয়ে বেশ কিছু পুরনো বিধায়ক মন্ত্রীদের বাদ রাখতে হয়েছে নেত্রীকে সেখানে অবশ্য এই অবস্থায় সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে অগ্রাহ্য করতে পারেননি তিনি । তারফলে এবারেও বালিগঞ্জ কেন্দ্রের জন্য় তাঁকেই তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে টিকিট দেওয়া হয়েছে।বর্তমানে রাজ্যের মন্ত্রীই শুধু নয় সুব্রত মুখোপাধ্যায়, দীর্ঘদিনের রাজনীতি করা এই মানুষটি ছিলেন এক সময় সিদ্ধার্থ শংকর রায়ের মন্ত্রিসভার সদস্য। তাছাড়া তিনি হয়েছিলেন কলকাতার মেয়র।

বাম আমলেও কংগ্রেসের হয়ে দীর্ঘদিনের বিধায়ক ছিলেন তিনি। পরবর্তীকালে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। ১৯৯৯ সালে তিনি কংগ্রেস ছেড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। এরপর তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে ২০০০সালে কলকাতার মেয়র হন তিনি।মেয়র হিসেবে কাজ করে তিনি রীতিমতো জনপ্রিয়তা লাভ করেন। কিন্তু ২০০৫ সালে ফের পুরসভা নির্বাচনের আগে তাঁর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মনোমালিন্য হয় পরবর্তী মেয়র থাকা নিয়ে । তখন তিনি তৃণমূল ছেড়ে আসেন তার কিছু দিন পরে কংগ্রেস যোগ দেন। এরপর ২০১০ সালের মে মাস পর্যন্ত তিনি কংগ্রেসে ছিলেন।তারপর ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফেরেন এবং ২০১১ সালে তৃণমূলের টিকিটেই ভোটে লড়েন। ২০১১ সালে রাজ্য রাজনৈতির পালা বদল ঘটে । তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় স্থান পান। এই সময় প্রথমে তাকে জনস্বাস্থ্য ও ইঞ্জিনিয়ারিংএবং পরে তাকে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়।জনস্বাস্থ্য ও ইঞ্জিনিয়ারিং মন্ত্রী থাককালীন তিনি বেশ কিছু অভিনত উদ্য়োগ নিয়েছিলেন ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্রকল্পে।তাছাড়া ওয়াটার এটিএম চালু এবং প্যাকেজ মিনারেল ওয়াটার চালু করেন। তাছাড়া তাঁকে ২০১২ সালে আইএনটিটিইউসি-র সর্ব ভাররতীয় সভাপতি করা হয়।তবে মন্ত্রী থাকলেও সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে বাকুড়া কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি ওই নির্বাচনে বিজেপির সুভাষ সরকারের কাছে পরাজিত হন।

 

 

কলকাতায় অবস্থিত বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রটি। এই বিধানসভা কেন্দ্রটি দক্ষিণ কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রে অন্তর্গত। এই বিধানসভা কেন্দ্রটিতে পড়ছে পুরসভার ৬০,৬১,৬৪,৬৫,৬৮,৬৯ এবং ৮৫ ওয়ার্ডগুলি । ২০০৬ সাল থেকেই বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রটি রয়েছে তৃণমূলের দখলে। তারমধ্যে ২০১১ এবং ২০১৬ সালে এই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলের সুব্রত মুখোপাধ্যায়।তবে এবারের লড়াইয়ের পরিবেশটা একটু আলাদা কারণ শাসক তৃণমূল দলে ভাঙন এবং রাজ্য রাজনীতি প্রতিপক্ষ হিসেবে বিজেপির উঠে আসাটা। যদিও প্রার্থী তালিকা তৈরি করার ক্ষেত্রে তৃণমূল অন্যদের থেকে এগিয়ে রয়েছে। কারণ এখনও বিজেপি প্রার্থী তালিকা তৈরি করতে পারেনি এবং সংযুক্ত মোর্চা আংশিক প্রার্থী তালিকা দিয়েছে ।সেদিক দিয়ে এবারের ভোটের ময়দানে কিছুটা হলেও সুব্রতমুখোপাধ্যায়ের সুবিধা হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।