নয়াদিল্লি: আবারও পৃথক গোর্খাল্যান্ডের সওয়াল। এবার বাংলা থেকে পাহাড়কে ছিন্ন করার ডাক বিজেপি সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর। দিল্লির ভোটের ফল প্রকাশের পরই স্বামীর টুইট ঘিরে বিতর্ক। গোর্খাল্যান্ডের দাবিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি করে বিজেপি সাংসদের টুইট, ‘দলের সাংগঠনিক কাঠামোয় নজর দেওয়ার দরকার। অনেক রাজ্যে আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েও রাখতে পারিনি। এবার গোর্খাল্যান্ডকে অগ্রাধিকার দেওয়া দরকার। গোর্খাল্যান্ড কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হোক।’

রাজধানীতে ঝাড়ু-ঝড়ে কুপোকাত বিজেপি। কোনও মতে ৮টি আসনে জিতে দিল্লিতে প্রাসঙ্গিকতা জিইয়ে রেখেছে গেরুয়া শিবির। তারই মাঝে বিজেপি সাংসদের টুইট ঘিরে নয়া বিতর্ক। ফের গোর্খাল্যান্ড দাবি উসকে দিলেন বিজেপি নেতা। এবার বাংলা থেকে পাহাড়কে আলাদা করার ডাক বিজেপি নেতার। ‘গোর্খাল্যান্ড’কে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানালেন বিজেপি সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামী।

কেজরিওয়ালের উন্নয়নের ডাকে সাড়া দিয়েছে দিল্লি। এই নিয়ে পরপর ৩ বার দিল্লির মসনদে অরবিন্দ কেজরিওয়াল। মোদী-শাহের গর্জনকে ফুৎকারে উড়িয়ে ফের দিল্লির কুর্সিতে বসেছেন মাফলার-ম্যান। দিল্লির ভোটে বিরোধীদের হেলায় উড়িয়েছেন কেজরি। খাতাই খুলতে দেননি একদা দিল্লির শাসক কংগ্রেসকে। একইসঙ্গে শতাংশের হিসেবেও ৫-এর নীচে রয়েছে হাত-শিবিরের ভোট। ৬২ আসনে জামানত জব্দ হয়েছে কংগ্রেস প্রার্থীদের। অন্যদিকে, মাত্র ৮টি আসন পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপিকে।

রাজধানীতে বিজেপির এই ভারডুবির দিনেই নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিলেন দলের নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, ‘প্রতিশ্রুতি রক্ষার জন্য গোর্খাল্যান্ডকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হোক৷’ এরই পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, ‘দলের সাংগঠনিক কাঠামোয় এবার নজর দেওয়া দরকার। প্রতিশ্রুতি দিয়েও অনেক জায়গায় তা আমরা রাখতে পারিনি। এবার গোর্খাল্যান্ডকে অগ্রাধিকার দেওয়া দরকার। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করা হোক।’

এমনিতেই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসি নিয়ে বিরোধীদের উপর্যুপরি আন্দোলনের জেরে জাতীয় রাজনীতিতে বেশ খানিকটা ব্যাকফুটে পদ্ম শিবির। তার উপর একাধিক রাজ্যে দলের হারেও অস্বস্তি বেড়েছে গেরুয়া শিবিরে। রাজনৈতিক মহলের মতে, নতুন করে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গড়ে আর বিরোধীদের আক্রমণের শিকার হতে চায় না কেন্দ্র। বরং এখন থেকে সাবধানী হয়েই পা ফএলতে চাইবে গেরুয়া শিবির।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।