ঢাকা:  ভয়ঙ্কর ধীরে চলছে নেট। ঘুরেই যাচ্ছে ব্রাউজার। সমস্যায় গ্রাহকরা। কেন এমন ইন্টারনেটে সমস্যা? সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর তরফে জানান হয়েছে যে, বাংলাদেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের মধ্যে বেশ কিছু সমস্যা তৈরি হয়েছে। আর সেই কারণে ইন্টারনেটন এত ধীর গতিতে চলছে বলে বিএসসিসিএলের তরফে জানানো হয়েছে।

তাঁরা জানাচ্ছে, খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হবে। আজ রবিবার দুপুর থেকেই লক্ষাধিক ইউজার এই সমস্যার মধ্যে পড়েন। ভয়ঙ্কর ভাবে ইন্টারনেট ধীর চলে। ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি)-এর তরফে জানানো হয়েছে, একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে।

বিএসসিসিএলের অন্যতম আধিকারিক মশিউর রহমান বলেন, পটুয়াখালীতে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৫) পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা হয়েছে। মেরামতের কাজ চলছে। কার্যত যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সেই কাজ শেষ করার কাজ চলছে। আজকের মধ্যে সমাধান হবে বলে আশা করছেন মশিউরসাহেব।

তিনি আরও বলেন, দেশে যে ব্যান্ডইউথ ব্যবহার করা হয়, তার প্রায় অর্ধেক দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল থেকে সরবরাহ করা হয়। ওই লাইন বন্ধ থাকায় সারা দেশে গ্রাহকরা ধীরগতির সমস্যায় পড়েছেন। আইএসপিএবির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক বলেন, আজ রবিবার দুপুর থেকে সমস্যা শুরু হয়।

আইএসপিগুলো যে পরিমাণ ব্যান্ডইউডথ সরবরাহ করে, এখন তার অর্ধেক দিতে পারছে। তাই ব্রডব্যান্ড সংযোগে গ্রাহকদের গতি নিয়ে সমস্যা পোহাতে হচ্ছে।

তথ্যপ্রযুক্তি ও আইআইজি পরিষেবা সংস্থাগুলি ফাইবার অ্যাট হোমের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ সাবির বলেন, দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলে পাওয়ার সাপ্লাই সমস্যা দেখা দিয়েছে। এ কারণেই ইন্টারনেটের গতি ধীর।

বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতেও একটা ইন্টারনেটের সমস্যা চলছে। রবিবার ধীর গতিতে চলছে নেট। সমস্যায় ইউজাররা। যদিও এই সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে ভারতের ইন্টারনেটের গতিতে ধীর হওয়ার পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কিনা তা জানার চেষ্টা চলছে। সার্ভিস প্রোভাইডারগুলির তরফেও ইন্টারনেটের সমস্যা নিয়ে কিছু বলা হয়নি। তবে বেশ কিছু জায়গায় ভয়ঙ্কর ধীরে চলছে ইন্টারনেট।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।