স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: বাংলার প্রশাসন দলদাসে পরিণত হয়েছে। এই প্রশাসনের থেকে মুক্তি চাই। ৭৪ তম স্বাধীনতা দিবসের দিন ভারত মাতার পুজো করে সাংবাদিকদের একথাই বললেন বীজপুরের বিজেপি বিধায়ক তথা মুকুল-পুত্র শুভ্রাংশু রায়। উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচরাপাড়া পুরবাজারে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে ভারত মাতার পুজো দেন বীজ পুরের বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়।

শনিবার সকালে কাঁচরাপাড়ার পুরবাজারে পতাকা উত্তোলন করেন বীজপুরের বিজেপি বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়। এলাকার সমস্ত মানুষজন, কর্মীদের নিয়ে পতাকা তোলেন শুভ্রাংশু। সেখানেই তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুকুল-পুত্র।

তাঁর অভিযোগ,”বাংলার পুলিশ প্রশাসন দলদাসে পরিণত হয়েছে। তাই আজ এই দলদাস প্রশাসনের হাত থেকে যাতে আমরা মুক্তি পেতে পারি তাই আজ পুজো দিলাম। সেই সঙ্গে ভারত মাতার কাছে প্রার্থনা করলাম বীজপুর জুড়ে যে উন্নয়ন থমকে আছে, যে ব্যবসা বন্ধ হয়ে গিয়েছে, আগামীদিনে তা যেন নতুন করে দাঁড় করাতে পারি।”

অন্যদিকে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপিই ক্ষমতা দখল করবে বলে আত্মবিশ্বাসী রহুল সিনহা। শনিবার স্বাধীনতা দিবসে তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা রাহুল সিনহা। তিনি বলেন, ‘আগামী বছর রেড রোডে স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা আমরাই উত্তোলন করব’। আবারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন সরকারকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন বিজেপি নেতারাহুল সিনহা। স্বাধীনতা দিবসেও রাজনৈতিক আক্রমণ শানালেন শাসকদল তৃণমূলকে। বর্তমান রাজ্য সরকারকে নীতিহীন বলে তোপ দেগেছেন রাহুল সিনহা।

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে হারিয়ে বাংলায় বিজেপির নেতৃত্বে সরকার তৈরি হবে আত্মবিশ্বাসী রাহুল। সরকারের একের পর এক নীতিহীন কার্যকলাপ রাজ্যের মানুষকে বিপদে ঠেলে দিচ্ছে বলেও অভিযোগ রাহুল সিনহার। শাসকদলকে কটাক্ষের সুরে এদিন রাহুল সিনহা বলেন, ‘নিজেদের গদির চিন্তা করা উচিত ওঁদের।’

এরই পাশাপাশি এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে আবারও তোষণের রাজনীতি করার অভিযোগ তুলেছেন রাহুল সিনহা। ভোটব্যাঙ্ক বাঁচাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোটা পশ্চিমবঙ্গজুড়ে তোষণের রাজনীতি চালাচ্ছেন বলেও অভিযোগ তুলেছেন রাহুল সিনহা।

একদিকে শাসকদল তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তোলার পাশাপাশি নিজের দল বিজেপির ‘নীতি-আদর্শ’-র কথাও তুলে ধরেছেন রাহুল। দেশের পরম্পরাকেই মর্যাদা দেয় বিজেপি, এমনই দাবি রাহুল সিনহার।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও