স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: ‘মুখ্যমন্ত্রী যে ভাষায় আক্রমণ করছেন তার প্রতিফলন ইতিমধ্যেই ভোট বাক্সে পড়েছে। উনি আমার সম্পর্কে যে ভাষাই ব্যবহার করুন, সেটা ওনার রুচির পরিচয়। আমি সেটাকে আশীর্বাদ হিসেবে গণ্য করব৷’ এমনটাই জানালেন সদ্য বিজেপিতে যোগদান করা মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু রায়৷

মুখ্যমন্ত্রী যে ভাষায় কথা বলেছেন সেটা তার রুচির পরিচয় : শুভ্রাংশু রায়

মুখ্যমন্ত্রী যে ভাষায় কথা বলেছেন সেটা তার রুচির পরিচয় : শুভ্রাংশু রায়

Kolkata24x7 यांनी वर पोस्ट केले शुक्रवार, ३१ मे, २०१९

‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন কাঁচারা দল থেকে চলে গেলে আর্বজনা মুক্ত হবে৷ কিন্তু গণতন্ত্রে মানুষ শেষ কথা বলে৷ তাই এবারের ভোটে মানুষ কিন্তু কাঁচাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেননি৷ কাঁচাদের মানুষ পরাজিত করেছেন৷ আমার পুরনো দল সম্পর্কে একটা কথাই বলতে পারি৷

ওই দলের ১৬ জন মন্ত্রী তাদের নিজেদের বিধানসভায় হেরে গিয়েছে৷ ১২৬ জন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তাদের বিধানসভায় হেরে গিয়েছে৷’’শুক্রবার দিল্লি থেকে নিজের বাড়িতে ফিরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি এমনটাই জানালেন বীজপুরের বিজেপি নেতা শুভ্রাংশু৷

দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের হাত ধরে শুভ্রাংশু রায় ইতিমধ্যেই বিজেপিতে যোগদান করেছেন। শুক্রবার দুপুরে তিনি দিল্লি থেকে সোজা কাঁচরাপাড়াতে তার নিজের বাড়িতে ফেরেন।পথে তিনি স্থানীয় একটি হনুমান মন্দিরে পুজোও দেন। এদিন বীজপুরের বিজেপি সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ও ভালোবাসায় ভেসে যান শুভ্রাংশু রায়। মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ের সামনে জয় শ্রীরাম বলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘জয় শ্রীরাম যে কেউ বলতেই পারে, সেটা অন্যায় কাজ নয়।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।