মেচেদা : শুক্রবারই নির্বাচন কমিশন পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করছেন। বাংলায় ৮ দফায় নির্বাচন ঘোষনা করা হয়েছে। সেই বিষয় নিয়ে সমালোচনায় মুখর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনার পরিপেক্ষিতে শনিবার মেচেদায় এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগদান করতে এসে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এখন আইনশৃঙ্খলার যা অবস্থা ৮ দফায় নয় ২০ দফায় করলে ভালো হতো।”

তিনি আরও বলেন, “নবান্নে যারা বসে আছেন তাঁদের সরাতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। সরকারের কাজ না করে দলের কাজ করে চলেছে। মুখ্যসচিব বলুন, ডিজি বলুন সকলেই দলের নির্দেশ দিচ্ছে। ২০১১ সাল থেকে দেখছি। জনগনই শেষ কথা বলে। তার প্রমাণ শীঘ্রই মিলবে।”

সম্প্রতি ফুল বদলেছেন শুভেন্দু। জোড়া ফুল ছেড়ে পদ্মফুলের গত ডিসেম্বর মাসেই যোগ দিয়েছেন তিনি। রাজনৈতিক দল বদল করলেও শুভেন্দুর কার্যকলাপের ধাঁচ সেই আগের মতোই রয়ে গিয়েছে। ফের হাতে খরতাল নিয়ে হরিনাম করতে দেখা গেল রাজ্যের প্রাক্তণ মন্ত্রী তথা বর্তমান বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। গলায় মালা ঝুলিয়ে কপালে তিলক কেটে শনিবার হরিনামে মেতে উঠেন শুভেন্দু।

বিজেপিতে যোগদান করার পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে শুভেন্দুর গলায় শোনা গিয়েছিল ‘হরে কৃষ্ণ হরে হরে বিজেপি ঘরে ঘরে’। তবে এবার বিজেপিতে যোগদান করার পর ধর্মীয় অনুষ্ঠানে হরিনাম করতে দেখা গেল শুভেন্দুকে। শনিবার দুপুরে মেচেদা ইসকন মন্দিরের এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই গলায় মালা ঝুলিয়ে কীর্তন করেন তিনি। পাশাপাশি নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর কাছে আরতীও করেন তিনি। এদিনের অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ বিজেপি নেতা কনিষ্ক পন্ডা সহ অন্যান্যরা।

প্রসঙ্গত কিছুদিন আগে হুগলির সভা থেকে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারী আবারও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “অনেক বড় বড় কথা বলছিলেন। কাল কী হলো? এবার ভাইপো জেলে যাবেন। আমি এবার লালার ডাইরি নিয়ে নামবো। কয়লা পাচারের টাকা, গরু পাচারের টাকা কোথায় যায় বোঝাবো। এতদিন তো বলতো বিজেপি কাপুরুষ। এবার কি হলো?”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.