কলকাতা২৪x৭: আর বলবেন না, বাড়ির ড্রেন পরিষ্কার করছিলাম গামছা পরে। এমন সময় হাজির পি কে বাহিনি। টেনে নিয়ে গেল। দু কাপ চা’ও খাইয়ে বিদেয় করেছি। একেবারে খোলাখুলি ‘অফার’ দিয়েছে। বলছে কী চাই শুধু বলুন, যা চাইবেন পাবেন।

এমনই ভাষণ দিয়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন আরএসপি নেতা তথা বাম জমানার সেচমন্ত্রী সুভাষ নস্কর। সংযুক্ত মোর্চার হয়ে তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী কেন্দ্র থেকেই লড়ছেন।

বর্ষীয়ান বাম নেতা বাসন্তী তো বটেই তিনি রাজ্যে অন্যতম হেভিওয়েট প্রার্থী। সুভাষ নস্কর দীর্ঘ বাম জমানার মন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু গত ২০১৬ বিধানসভা ভোট ও গত লোকসভা নির্বাচনে বামফ্রন্ট জোটের প্রার্থী হয়ে পরাজিত হন।

তবে ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে ফের নিজ মহিমায় প্রচারে সুভাষ নস্কর। বর্ষীয়ান আরএসপি নেতার দাবি যেভাবে মানুষ বীতশ্রদ্ধ তাতে অনেক কিছুই হতে চলেছে।

বাসন্তী বিধানসভা বামেদের শক্তিশালী ঘাঁটি। বিশেষ করে বাম শরিক আরএসপি দলের। সুভাষবাবু মন্ত্রী থাকাকালীন সিপিআইএম ও আরএসপি সংঘাত বারবার হয়েছে বাসন্তীতে। তবে বামফ্রন্টের জোটবদ্ধ লড়াইয়ে বরাবর সুভাষ নস্কর জয়ী হয়েছেন। দীর্ঘ সাড়ে তিন দশকের বাম জমানার সুবাদে সুভাষ নস্কর রাজ্যে সুপরিচিত।

বিধানসভা নির্বাচনে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় আমফান ঘূর্নি ঝড়ের ত্রাণবণ্টন নিয়ে দূর্নীতির অভিযোগ বিস্তর। শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন ভোটাররা। সুভাষ নস্করের দাবি, এই দুর্নীতির জবাব দিতে মানুষ তৈরি। কোনওভাবেই কর্পোরেট সংস্থা দিয়ে বামপন্থীদেপ দল ভাঙানো সম্ভব হয়নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের বিরুদ্ধে বারবার প্রাক্তন বাম মন্ত্রী,বিধায়ক, সাংসদদের কাছে দলত্যাগের ‘অফার’ দেওয়ার বিতর্ক চরমে। সেই ‘অফার’ নিয়ে বিস্ফোরক এবার সুভাষ নস্কর। বাসন্তীতে তাঁর ভাষণের ফুটেজ ভাইরাল হয়েছে। সুভাষ নস্করের অভিযোগ, কোনওভাবেই দল ভাঙাতে সফল হয়নি পি কে।

আমফান ঝড়ের সময় সুভাষ নস্কর তাঁর দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে এলাকা ঘুরে নজির গড়েছেন। অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের মন্ত্রীর দেখা মেলেনি তখন।

বাসন্তী বিধানসভায় ১৯৮২ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বিধায়ক সুভাষ নস্কর ২০১৬ সালে পরাজিত হন। এবার বাসন্তী কেন্দ্রে তিনি ফেসবুকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী কে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভোট যুদ্ধ শুরু করেছেন। এই পোস্টের পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে ‘অলআউট খেলছেন সুভাষ নস্কর’।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।