বার্সেলোনা: গত ম্যাচে ভিল্লারিয়ালের পর ঘরের মাঠে এস্প্যানিয়লকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নশিপের আশা টিকিয়ে রাখল বার্সেলোনা। কিন্তু নিজেরা কেবল জিতলেই তো হবে না, বাকি চার ম্যাচে পয়েন্ট খোয়াতে হবে শীর্ষে থাকা রিয়াল মাদ্রিদকে। তাই পয়েন্টের ব্যবধান কমিয়ে রিয়ালের পদস্খলনের প্রতীক্ষায় দিন গুনছে কিকে সেতিয়েনের দল।

লুইস সুয়ারেজের একমাত্র গোলে এদিন ন্যু ক্যাম্পে ডার্বি জিতল বার্সেলোনা। সেইসঙ্গে ৩৫ ম্যাচে ৭৬ পয়েন্ট সংগ্রহ করে রিয়ালের সঙ্গে ব্যবধান কমিয়ে এক পয়েন্টে নিয়ে এল তাঁরা। যদিও বার্সার তুলনায় এক ম্যাচ কম খেলেছে জিদানের দল। শুক্রবার ডিপোর্টিভো আলাভেসকে হারালেই ফের ব্যবধান চার পয়েন্টে নিয়ে যাবেন রামোসরা। তাই এস্প্যানিয়ল ম্যাচে বার্সার একমাত্র গোলদাতা ম্যাচ শেষে জানালেন, ‘মাদ্রিদ কী করবে না করবে সেটা ওদের উপরেই নির্ভর করছে। প্রতিদ্বন্দ্বীরা এই মুহূর্তে পয়েন্ট খোয়ালে সেটা দারুণ ব্যাপার হবে। আমরা বড়জোর প্রত্যাশা করতে পারি।’

এদিন এস্প্যানিয়লের জালে বল জড়িয়ে আবার অনন্য এক নজির গড়ে ফেললেন সুয়ারেজ। কুবালাকে টপকে বার্সেলোনার জার্সিতে এদিন তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলের মালিক হয়ে গেলেন ঊরুগুয়ে স্ট্রাইকার। গত ম্যাচে গোল করে ছুঁয়ে ফেলেছিলেন হাঙ্গেরিয়ান কিংবদন্তিকে। এদিন ক্লাবের জার্সিতে ১৯৫তম গোল করে সুয়ারেজ ছাপিয়ে গেলেন প্রাক্তনকে। প্রথমার্ধ গোলশূন্য ভাবে শেষ হয়। তবে বার্সেলোনার চেয়ে তুলনামূলক ভালো ফুটবল উপহার দেয় এস্প্যানিয়ল। গোল লক্ষ্য করে প্রথমার্ধে কোনও শটই নিতে পারেনি বার্সা।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই নাটক। দু’দলেরই একজন করে ফুটবলার লাল কার্ড দেখে বেরিয়ে যান। সেমেদোকে তুলে দ্বিতীয়ার্দে আনসু ফাতিকে মাঠে নামান সেতিয়েন। কিন্তু পাঁচ মিনিটের মধ্যেই বিপক্ষের এক ফুটবলারকে বিশ্রী ফাউল করে মাঠের বাইরে চলে যান তিনি। ৫৬ মিনিটে গ্রিজম্যানের পাস থেকে মেসির গোলে শট রাখতে ব্যর্থ হলে প্রতিহত হওয়া বল জালে ঠেলে বার্সার জয় নিশ্চিত করেন সুয়ারেজ। জয়ের ফলে বার্সা লিগ টপারদের সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান কমিয়ে আনলেও অবনমন নিশ্চিত হল এস্প্যানিয়লের। যা গত ২৬ বছরে এই প্রথম।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ