নয়াদিল্লি: এক গুরুত্বপূর্ণ স্কোয়াড্রনকে নতুন করে কাজে লাগাচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনা। ‘ভ্যালিয়ান্ট’ স্কোয়াড্রনে থাকবে Su-30mki. এর আগে Mig-23 নিয়ে তৈরি হয়েছিল এই স্কোয়াড্রন। গত কয়েক বছর আগে পাকিস্তানের একেবারে কাছ ঘেঁষে পঞ্জাবের হালওয়ারা বেসে এই স্কোয়াড্রন মোতায়েন করা হবে বলে ঠিক হয়েছে।

এই এলাকায় বায়ুসেনার শক্তি বাড়াতে এই স্কোয়াড্রন খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হয়। আর সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শত্রুপক্ষের দিক থেকে হওয়া যে কোনও আক্রমণ সামলাতে কাজ করবে বায়ুসেনার এই হাতিয়ার।

পশ্চিমবঙ্গের বারাকপুরে ১৯৬৩ সালে তৈরি হয় এই স্কোয়াড্রন। এতে ছিল তিন ধরনের এয়ারক্রাফট ভ্যাম্পায়ার, স্লিটফায়ার ও হারিকেন এবং সু-৭। একাধিকবার এই স্কোয়াড্রন নিজেদের জায়গা পরিবর্তন করেছে। ৫৪ বছর ধরে কাজ করছে এটি। ১৯৭১-এর যুদ্ধে ও কার্গিল যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল এই স্কোয়াড্রন।

অন্যদিকে, ভারত এবং চিন সিমান্তে যে কোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনাকে। লাদাখ সীমান্তে সংঘাতের পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে।

প্রায় ২ মাস হতে চলল, এখনও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এই অবস্থায় দেশ জুড়ে সেনাবাহিনী, বায়ুসেনা সবাইকেই প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। এবার লাদাখ সীমান্তে উড়ল একের পর এক যুদ্ধবিমান। উড়ল মিলিটারি হেলিকপ্টারও।

শনিবারই প্রকাশ্যে এসেছে সেই ছবি। দেখা যাচ্ছে একের পর এক যুদ্ধবিমান উড়ছে চিন সীমান্তের আকাশে। উড়ছে মিগ, সুখোই। অ্যাপাচে হেলিকপ্টারও উড়তে দেখা গিয়েছে।

এদিন ভারতীয় বায়ুসেনার এক স্কোয়াড্রন লিডার বলেন, দেশ জুড়ে সব বায়ুসেনার সদস্যরা প্রস্তুতি নিয়েছে। যে কোনও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার জন্য ট্রেনিং নিয়েছে বায়ুসেনা সদস্যরা। এন্ডিয়ান এয়ার ফোর্সের এক অফিসার জানিয়েছেন, ‘আমাদের জোশ সবসময় হাই।’

প্রশ্ন অনেক: তৃতীয় পর্ব