নয়াদিল্লি : বিদেশে পড়াশোনা করতে ইচ্ছুক? উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য বা ভালো একটা কেরিয়ারের জন্য অনেকরই স্বপ্ন থাকে বিদেশে গিয়ে পড়াশোনা শেখা। কিন্তু এই ইচ্ছা বা স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় অর্থ। অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী না হওয়া বা বিদেশে গিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ করে থাকার সামর্থ্য না থাকায় অনেকেরই বিদেশ গিয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের আশা ছাই চাপা পড়ে যায়।

তবে এবার আর আপনার সেই ইচ্ছা ছাই চাপা পড়বে না। বিদেশে গিয়ে পড়াশোনা চালানোর জন্য শিক্ষার্থীদের এবার ১২ লক্ষ ইউরো স্কলারশিপ বা বৃত্তি প্রদান করবে আয়ারল্যান্ড সরকার।

জানা গিয়েছে, ভারতীয় কোনও ছাত্র ছাত্রী আন্ডার গ্রাজুয়েট বা পোস্ট গ্রাজুয়েটের জন্য যদি আয়ারল্যান্ডে গিয়ে পড়াশোন করতে আগ্রহী হন তাহলে সেই সমস্ত ছেলে মেয়েদেরকে বৃত্তি দেবে আয়ারল্যান্ড সরকার। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি একটি ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বৃত্তি প্রদানের বিষয়টি বিস্তারিত জানানো হবে।

এই বিষয়ে বৃহস্পতিবার আয়ারল্যান্ড সরকার স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি কোর্সে পড়াশোনার জন্য ভারতীয় শিক্ষার্থীদের ১২ লক্ষ মূল্যের ইউরো দেওয়ার কথা ঘোষনা করেছে। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি এই বিষয়ে ভারত ও শ্রীলঙ্কার শিক্ষার্থীদের জন্য আয়ারল্যান্ডের ২০ টি শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ভার্চুয়ালি
আলোচনা সভায় বসবে সে দেশের সরকার।

আরও জানা গিয়েছে, শ্রীলঙ্কার পড়ুয়াদের জন্য আয়ারল্যান্ড সরকারের তরফে ৩,০০,০০০ লক্ষ ইউরো দেওয়া হবে। এই বিষয়ে আয়ারল্যান্ডের শিক্ষাব্যবস্থার পরিচালক গাইলস ওনিল বলেছন, এই বৃত্তি প্রদানের ক্ষেত্রে পড়ুয়াদের মেধা তালিকায় থাকতে হবে। ভারতীয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেরা ১০ জনকে এই বৃত্তি দেওয়া হবে।

জানা গিয়েছে, আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়া ওই ভার্চুয়াল সভায় আয়ারল্যান্ডের ২০ টি টপ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও থাকছে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত আইরিশ ভিসা কেন্দ্রের আধিকারিকরা।

ভার্চুয়াল এই ইভেন্টে অংশগ্রহনকারী প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে রয়েছে ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি কার্লো, ট্রিনিটি কলেজ, ডাবলিন, গ্রিফিথ কলেজ, অ্যাথলোন ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কর্ক এবং ডুন্ডাল্ক ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি।

আরও জানা গিয়েছে, ২৭ ফেব্রুয়ারির ওই ইভেন্টে ছাত্র ছাত্রীদের বিভিন্ন জিজ্ঞাস্য, প্রশ্নোত্তর, পরামর্শ, ভিসা এবং বৃত্তির বিষয়ে বিশদে জানানো হবে। তবে আর দেরি কেন? বিদেশ বিভুঁইয়ে পড়াশোনা করার ইচ্ছা থাকলে আজ থেকে যোগাযোগ শুরু করে দিন। মিস যেন না হয়। কে বলতে পারে আপনিও হতে পারেন সেরা দশ জনের একজন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.