স্টাফ রিপোর্টার, কোচবিহার: তীব্র গরমে ফ্যান ছাড়াই ক্লাস করছে ছাত্ররা৷ কষ্ট হলেও ফ্যান ছাড়াই ঘন্টার পর ঘন্টা তাঁদের থাকতে হচ্ছে স্কুলে৷ বহুবার প্রাধান শিক্ষককে বিষয়টি জানিয়েছে ছাত্ররা৷

দেখুন ভিডিও:

কিন্তু তাতে কোনও সুরাহা মেলেনি তাঁদের৷ তাই কোচবিহারের মাথাভাঙার কুন্তিকাটা ধরনিকান্ত হাই স্কুলের ছাত্ররা শিক্ষকদের আটককে বিক্ষোভ দেখায়৷

আরও পড়ুন: ফের রাজ্যপুলিশের শীর্ষস্তরে রদবদল

ছাত্রদের দাবি, গরমের ছুটি পড়ার আগে প্রধান শিক্ষক তাঁদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ছুটি শেষ হলেই সব ক্লাসে ফ্যান লাগানো হবে৷ কিন্তু গরমের ছুটি শেষ হয়ে সোমবার স্কুল খোলার পরেও ক্লাসে ফ্যান না দেখে উত্তেজিত হয়ে পরে ছাত্ররা৷ তারপরই তাঁরা শিক্ষকদের আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখায়৷ শিক্ষদের গাড়ি ভাঙচুর করে৷ স্কুলের দরকারি নথিপত্র ফেলে দেয় তাঁরা৷

ওই স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্র গৌতম বর্মনের অভিযোগ, স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন গরমের ছুটির পর ক্লাসরুমে ফ্যান লাগিয়ে দেওয়া হবে৷

কিন্তু এতদিনে তা হয়নি৷ স্কুলের মাঠে গাছগুলি থেকে হাওয়া বাতাস আসত৷ সেই গাছগুলোকেও কেটে দিয়েছে৷ নতুন ফ্যানগুলো এনে স্কুলের একটি ঘরে রেখে দিয়েছে৷

আরও পড়ুন: টাকা নিয়ে ভর্তি? পড়ুয়াদের রক্ষা করছে ‘সময়ের শব্দ’

যদিও স্কুলের প্রধান শিক্ষক এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে৷ তিনি জানিয়েছেন ফ্যানগুলো সোমবারই এসেছে স্কুলে৷ এগুলো সোমবারই লাগানো হবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।