তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: রাত পোহালেই রাখি। তাই এক সেকেন্ডও সময় নেই বাঁকুড়ার বড়জোড়ার কৃষ্ণনগরের কিশোর বাহিনীর যাত্রিক শাখার ক্ষুদে সদস্যদের। বিকেলে স্কুল ছুটির পর প্রতিদিন গ্রামের মাঠে বসে নবম শ্রেণীর পড়ুয়া সোমা, প্রীতি, মন্দিরা, পায়েলরা এখন রাখী তৈরিতে ব্যস্ত। কোনও বাজারের কেনা রাখী নয়। নিজেদের হাতে তৈরি রাখী পড়াতে এখন ব্যস্ত ওরা।

কিশোর বাহিনীর কৃষ্ণনগর যাত্রিক শাখা সারা বছর নানান সমাজ সেবামূলক কাজের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নিজেদের নিয়োজিত রাখে। নাচ, গান, খেলাধুলা, শরীরচর্চার সামাজিক কর্মকাণ্ডে শিশু-কিশোরদের নিয়ে ব্যস্ত থাকে এই সংগঠনটি। রাখি পূর্ণিমার দিন ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে সকলকে বাঁধতে বাজার চলতি রাখি নয়, নিজেদের হাতে তৈরি রাখিতেই বিশ্বাসী সংগঠক থেকে সদস্য সকলে। তাই সংগঠনের রাজ্য কার্যকরী পরিষদের সদস্য মনোজ মণ্ডলের তত্ত্বাবধানে এখন রাখি তৈরিতে মজেছে পড়ুয়ারা৷

রঙ-বেরঙের কাগজ কেটে সুন্দর সুন্দর সব রাখি তৈরির ফাঁকে কিশোর বাহিনীর সদস্য সোমা ভুঁই, শুভাশিস পালরা বললেন, ‘‘বাজারে তো অনেক রাখি পাওয়া যায়। আমাদের হাতে তৈরি রাখির চেয়ে তা হয়তো অনেক সুন্দর। কিন্তু নিজেদের হাতে তৈরি রাখি দাদা, ভাই, বন্ধুদের হাতে বাঁধার মধ্যে যে আনন্দ আছে, তা বাজার থেকে কেনা ওই রাখির মধ্যে নেই।’’

আরও পড়ুন: রাখির জোরেই যুদ্ধক্ষেত্রে কোনও আঘাত লাগেনি আলেকজান্ডারের

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দেখানো পথেই তারা সকলকে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করতে নিজেদের তৈরি রাখি নিয়েই উৎসবে যোগদান করবে বলে জানিয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ