টুইটার থেকে পাওয়া এই ছবি

নয়াদিল্লি: নয়া কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে কেন্দ্র-বিরোধিতার সুর চড়ছে। দিল্লি-হরিয়ানা সীমান্তে লক্ষ-লক্ষ কৃষক অবস্থান বিক্ষোভে সামিল। শনিবার রাতে বিক্ষোভরত কৃষকদের পাশে দাঁড়ালেন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। শীতের রাতে বিক্ষোভস্থলে পৌঁছে যান তাঁরা। বিক্ষোভরত কৃষকদের খাবার পরিবেশন করতে দেখা যায় পড়ুয়াদের।

কৃষকদের বিক্ষোভকে সমর্থন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের। নয়া কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে দিল্লি-হরিয়ানা সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন লক্ষ-লক্ষ কৃষক। একদিকে কৃষক সংগঠনগুলির প্রতিনিধিরা জট কাটাতে সরকারের সঙ্গে বৈঠক করছেন, অন্যদিকে দাবি আদায়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন কৃষকরা। শনিবার রাতে বিক্ষোভরত কৃষকদের সঙ্গে গিয়ে দেখা করেন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন পড়ুয়া।

কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে কৃষকদের বিক্ষোভকে সমর্থন জানিয়েছেন পড়ুয়ারা। এমনকী তাঁদের পাশে থাকারও আশ্বাস দিয়েছেন তাঁরা। এদিন কৃষকদের মনোবল চাঙ্গা করতে শীতের রাতে বেশ কিছুক্ষণ সময় পড়ুয়ারা কাটিয়েছেন তাঁদের সঙ্গে। রাস্তায় বসিয়েই বিক্ষোভকারী কৃষকদের খাবার পরিবেশন করেছেন পড়ুয়ারা।

এদিকে, শনিবারও দফায়-দফায় বৈঠকেও মেলেনি সমাধান। দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে কৃষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সেই বৈঠকেও রফা-সূত্র অধরাই। কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে অনড় কৃষকরা। যদিও আইনে কয়েকটি সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে কেন্দ্র। জট কাটাতে ফের ৯ ডিসেম্বর বৈঠক।

শনিবার পঞ্চম দফার বৈঠকেও কৃষি আইন সংক্রান্ত জটিলতার নিষ্পত্তি হয়নি। কৃষকরা নিজেদের দাবিতে অনড়। অবিলম্বে নয়া কৃষি আইন বাতিলের দাবি তোলেন কৃষক প্রতিনিধিরা। কার্যত সাঁড়াশি চাপে পড়ে কিছুটা হলেও সুর নরম করতে দেখা গিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারকে।

এএনআই-টুইটার থেকে পাওয়া এই ছবি

নয়া কৃষি আইনে কয়েকটি সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। কেন্দ্রের তরফে একটি প্রস্তাব পাঠানো হবে কৃষকদের। সেই প্রস্তাব নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করবেন কৃষকরা। আগামী ৯ ডিসেম্বর ফের বৈঠক হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.