নয়াদিল্লি: বেশ কিছু দিন ধরেই সিবিএসই দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর বোর্ড পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন নিয়ে ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পিতা মাতার মধ্যে একটা দাবি উঠেছিল। কারণ হিসেবে মূলত বলা হয়েছিল যে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের দাপটে যখন প্রত্যেকদিন এক লক্ষ লোক সংক্রমিত হচ্ছে তখন পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হোক। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও অরবিন্দ কেজরিওয়াল এর মতো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা ছাত্রছাত্রীদের সমর্থনে মুখ খোলেন ও তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। ফলে সরকারের ওপর ক্রমাগত চাপ বেড়েই চলেছিল।

শেষমেশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হস্তক্ষেপে সিবিএসসি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে এই বছরের মতো সিবিএসইর দশম শ্রেণীর পরীক্ষা বাতিল করা হল। এবং আপাতত দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আগামী ১ জুনের পর পরীক্ষা নেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে সিবিএসই। সিবিএসসির দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার সিদ্ধান্তের পর একই দাবিতে সরব হয়েছেন জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সামিনেশন বা JEE পরীক্ষার্থীরা। আগামী ২৭ ও ৩০ এপ্রিল এই বছরের জয়েন্ট পরীক্ষা হওয়ার কথা রয়েছে। জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা মূলত বি.টেক ও বিই ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে তৈরি হয় মেধা তালিকা। এবং সেই তালিকা অনুযায়ী বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং কলজে ভরতি হন পরীক্ষার্থীরা।

পরীক্ষা স্থগিত করার বিষয়ে সরকারিভাবে এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থা ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি বা NTA। ছাত্রছাত্রীদের দাবি দেশে যেভাবে ক্রমাগত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, এই পরিস্থিতিতে পরীক্ষা দেওয়া বিপদজ্জনক। পরীক্ষার্থীদের তরফ থেকে টুইটারে গ্রুপ তৈরি করে এই ব্যাপারে প্রচার চালানো হচ্ছে।

ছাত্রছাত্রীদের অনেকেই এপ্রিল মাসের জয়েন্ট পরীক্ষা স্থগিত করার পাশাপাশি মে মাসের জয়েন্ট পরীক্ষাও স্থগিত করার দাবিতে সরব হয়েছে।এখন এটাই দেখার যে এই ব্যাপারে NTA কি পদক্ষেপ গ্রহণ করে। শিক্ষাবিদদের তরফে নিয়মিত NTA এর ওয়েবসাইট দেখার জন্য ছাত্রছাত্রীদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.