স্টাফ রিপোর্টার,তমলুক: করোনা আবহে রক্ত সংকট মেটাতে মুমূর্ষু মানুষের পাশে দাঁড়াতে সদা সতর্ক পূর্ব মেদিনীপুর জেলার চন্ডীপুরের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘চলো পাল্টাই’।

লকডাউনে মধ্যেও ৭২ জন রক্তদাতা সরাসরি ব্লাড ব্যাংকে গিয়ে রক্ত দান করেছেন । সোমবার হাসচড়া বিএমটি স্কুলের অডিটোরিয়াম হলে সেচ্ছাসেবী সংগঠন চলো পাল্টাই ও রবীন্দ্র পরিষদ চন্ডিপুরের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো গ্রীষ্মকালীন রক্তের চাহিদা মেটাতে রক্তদান শিবির।

এই রক্তদান শিবিরে মোট ৪৩ জন রক্তদাতা উপস্থিত হন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পশ্চিম মেদিনীপুর দাসপুর থেকে শিক্ষকেরাও প্রায় ৯০ কিলোমিটার বাইক চালিয়ে পৌঁছে গেলেন দাসপুর পশ্চিম মেদিনীপুরের সৌম্য দত্ত রক্ত দিতে। লক্ষ্য একটাই মানুষের প্রাণ বাঁচাতে হবে।

হবিচক নাটকের পটুয়া শিল্পীরাও পিছিয়ে নেই কারোর বাড়ির চাল উড়ে গেছে, কেউ বা ত্রাণ শিবিরে এখনও আশ্রিত। কিন্তু তাদের মধ্যেও দেখা গেল রক্তদানের জোয়ার পট শিল্পীদের কুড়িজন রক্তদাতা এদিন পৌঁছে গিয়েছিলেন রক্তদান শিবিরে।

এদিনের রক্তদান শিবিরে রক্তদানকারী হিসেবে মহিলাদের সংখ্যা কম ছিল না। মায়ের মমতা ও ভ্রাতৃত্ব বন্ধনে আজকের রক্তদান শিবির সাফল্যমন্ডিত হল নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল ব্লাড ব্যাংকের সহযোগিতায়। এই মহতী কর্মযজ্ঞে উপস্থিত ছিলেন চন্ডিপুর সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক শ্রী অভিষেক দাস, ওসি – ইমরান মোল্লা, জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ – ডা. পার্থপ্রতিম দাস, হাসচড়া এমডি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক বিধানচন্দ্র ধারা এছাড়াও আরও অনেকে।

‘চলো পাল্টাই’ সংগঠনের সহ সভাপতি অরুণাংশু বাবু বলেন, “বর্তমানে আম পানের তাণ্ডব ও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের জেরে এলাকায় যে পরিমাণ রক্তদান শিবির সংগঠিত করা যেত তা বর্তমানে অসম্ভব হয়ে উঠেছে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে মানুষকে সচেতন করে রক্তদান শিবির সংগঠিত করার উদ্যোগী হতে হবে এলাকার সমস্ত সংগঠকদের। তা না হলে অনেক মুমূর্ষু মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়তে হবে। রক্তের চাহিদা মেটাতে ইতিপূর্বেই হলদিয়া চৈতন্যপুর এলাকাতে রক্তদান শিবির সংগঠিত করা হয়েছে , আগামী ১২ জুন হলদিয়া টাউনশিপ আরো একটি রক্তদান শিবির আমরা সংগঠিত করতে চলেছি।”

রবীন্দ্র পরিষদের সম্পাদক প্রতীক জানা বলেন, “আজকের এই রক্তদান শিবির কেবল মানুষের জন্যে নয় প্রকৃতির জন্যে কারণ সকল রক্ত দাতা কে তুলে দেওয়া হল চারা গাছ ও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে মাক্স, স্যানিটাইজার। জীবনের মূল্যবান দানের পাশাপাশি পরিবেশের প্রতি দায়িত্ব পালন করাও জরুরি।”

নন্দীগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংগঠনের অন্যতম সদস্য সৈকত শাসমল বলেন, “আমাদের শুভানুধ্যায়ী সদস্যরা সরাসরি ব্লাড ব্যাংকে গিয়ে তো রক্ত দান করছে। কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণে রক্তের জোগান দিতে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে আমরা এই রক্তদান শিবির সংগঠিত করতে চলেছি। সাধারণ মানুষ থেকে ক্লাব সংঘ প্রতিষ্ঠান সকলকেই এ বিষয়ে আরও সচেতন হওয়া উচিত এবং সকলকেই জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এগিয়ে আসা উচিত।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।