নয়াদিল্লি: প্রতিরক্ষা উৎপাদন ক্ষেত্রের তিনটি প্রধান ইউনিয়ন সরকারের কাছে আবেদন জানাল অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরিকে কর্পোরেটাইজ করার সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হোক এবং এই বিষয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করুক। তা যদি না হয়, তাহলে তারা অনির্দিষ্ট কালের জন্য ধর্মঘট করবে বলে হুমকি দিয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ‘বিশ্বাস ভঙ্গ এবং পিছন থেকে ছুরি মারা হয়েছে ‘ বলে ইউনিয়নের পক্ষ থেকে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

গত সপ্তাহের মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী ২০ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করেন । তারপর‌ বুধবার থেকে রবিবার পাঁচ দফায় এই প্যাকেজ সম্পর্কে বিভিন্ন ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। শনিবার তার চতুর্থ দফার ঘোষণার সময় তিনি জানান,কয়লাতে এতদিনের সরকারি একচেটিয়ার অবসান ঘটছে, এবার বেসরকারি সংস্থাকেও কয়লা খনি দেওয়া হচ্ছে।

পাশাপাশি কোনরকম নিয়ন্ত্রকের অনুমোদন ছাড়াই প্রতিরক্ষা উৎপাদনে বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের সীমা ৪৯ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭৪ শতাংশ করা হল। তখন ঘোষণা করা হয়, অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরি বোর্ডের আরো বেশি করে দক্ষতা অটোনমি ইত্যাদি কারণে কর্পোরেটাইজ করা হচ্ছে। তারই প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের, কংগ্রেস এবং বামেদের অনুমোদিত তিনটি প্রধান ইউনিয়ন একত্রিত হয়ে এর বিরোধিতা করেছে।

আরএসএস অনুমোদিত ভারতীয় মজদুর সংঘের অধীনস্থ সংগঠন ভারতীয় প্রতিরক্ষা মজদুর সংঘ, সিপিএম অনুমোদিত সিটুর অধীনস্থ অল ইন্ডিয়া ডিফেন্স এম্প্লয়িস ফেডারেশন এবং কংগ্রেস অনুমোদিত আইএনটিটিইউসি-র অধীনস্থ ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ডিফেন্স ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের পক্ষ থেকে যৌথভাবে রবিবার একটি চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংকে । ওই চিঠির কপি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের কাছেও পাঠানো হয়েছে। এই তিন ইউনিয়নের সঙ্গে রয়েছে ৮০ শতাংশ শ্রমিক কর্মচারী।

ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, তারা বুঝতে পারছেন না কেমন করে অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরির কর্পোরেটাইজেশন কোভিড-১৯এর রিলিফ প্যাকেজের অংশ হতে পারে।

পাশাপাশি মনে করানো হয়েছে, এর আগে সরকারের পক্ষ থেকে বছর খানেক আগে লিখিত চুক্তি করা হয়েছিল স্বীকৃত ইউনিয়নগুলির সঙ্গে যে অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরিকে কর্পোরেটাইজ করা হবে না।‌ সেই চুক্তি পুরোপুরি অগ্রাহ্য করা হয়েছে। এরই রেশ টেনে সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাতিল করার জন্য অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরি ৮২,০০০ কর্মী আবেদন করেছে। পাশাপাশি জানানো হয়েছে এই অনুরোধ সরকার না মানলে তাদের পক্ষে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটে যেতে বাধ্য হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.