কলকাতা: বিধায়ক খুনের প্রতিবাদে রেল অবরোধ। সোমবার সকালে অবরোধ শিয়ালদহ-গেদে লাইনে। ফলে, সকাল থেকেই ওই লাইনে আটকে পড়েছে বেশ কিছু লোকাল ট্রেন।

শনিবার খুন হন কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস। এই ঘটনার প্রতিবাদেই এদিন সকালে অবরোধ শুরু করেন তৃণমূল সমর্থকেরা। শিয়ালদহ-গেদে লাইনের ভায়না রেল স্টেশনে এই অবরোধ হয়েছে। ভোর থেকেই অবরোধ শুরু করেন কর্মীরা। এরপর প্রথম দফায় অবরোধ উঠে গেলেও ফের নতুন করে অবরোধ শুরু হয় সকাল ৯টা থেকে।

এই অবরোধের জেরে ওই লাইনের বেশ কিছু লোকাল ট্রেন আটকে রয়েছে। ফলে অসুবিধায় পড়েছেন নিত্যযাত্রীরা।

সরস্বতী পুজোর দিন সন্ধ্যায় নিজের এলাকারই এক অনুষ্ঠানে তাঁকে খুব কাছ থেকে গুলি করে আততায়ীরা৷ ঘটনাস্থলেই মৃত্য হয় শাসক দলের ওই বিধায়কের৷ তৃণমূলের অভিযোগ, এই খুনের পেছনে রয়েছে বিজেপির হাত৷ সরাসরি অভিযোগের তির মুকুল রায়ের দিকে৷ এফআইআরে নামও রয়েছে মুকুল রায়ের। বিরোধীদের অভিযোগ শাসক দলের অন্তর্দ্বন্দ্বের শিকার বছর চল্লিশের ওই বিধায়ক৷ এলাকায় কান পাতলেও সেই দাবি-ই ক্রমশ জোরাল হচ্ছে৷

যদিও অন্তর্দ্বন্দ্বের অভিযোগ ঘটনার পর থেকেই উড়িয়ে দিচ্ছেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব৷ সেই সুরেই সুর মিলিয়েছে দলের উপর তলার নেতারাও৷ তবে বাস্তব বলছে অন্যকথা৷ শাসক দলের জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বর্তমানে খুব একটা ভালো সম্পর্ক ছিল না সত্যজিতের৷ সেই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের জন্যই কী এই চরম পরিণতি হল বিধায়ক সত্যজিতের? উঠছে সেই প্রশ্নও।