ভোপাল: লকডাউনে হারিয়েছে জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ। অনেক পেশার ক্ষেত্রে পুঁজি বলতে যেটুকু ছিল তা-ও প্রায় শেষ। এই অবস্থায় যদি ফাঁকা রাস্তায় টাকা ছড়ানো থাকে তাহলে কী করবেন আপনি?

হ্যাঁ, এরকমই অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটেছেমধ্যপ্রদেশের ছএপুরে। লকডাউনে কারন জনহীন রাস্তা। রাতের অন্ধকারে কেউ বা কারা ইচ্ছাকৃত ভাবে প্রচুর কুড়ি টাকার নোট ছড়িয়ে রেখে দিয়েছে রাস্তায়।

এদিকে করোনা আবহে যখন অর্থনীতি বসে যাওয়ার মুখে, তখন এমন ঘটনায় যথেষ্ট উদ্বিগ্ন স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। ঘটনার খবর চাউর হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে ওই এলাকায়। তবে করোনা সংক্রমণের ভয়ে রাস্তায় পড়ে থাকা নোটগুলি ছুঁয়েও দেখেননি স্থানীয় মানুষজন।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের কয়েকটি জেলা দ্বারা বেষ্টিত ছোট্ট একটি শহর এই ছএপুর। এখনও অবধি কোনও করোনা পজিটিভ ধরা পড়েনি এই জেলায়। ফলে গ্রীণজোনে রয়েছে এই জেলা।

এই অবস্থায় লকডাউনও কিছুটা শিথিল আছে এই জেলায়। যারফলে খুলছে দোকানপাট বাজার সমস্ত কিছুই। তবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই চলছে যাবতীয় কাজকর্ম। এই অবস্থায় গত শনিবার এমন দৃশ্য প্রথম চোখে পড়ে স্থানীয় কিছু বাসিন্দাদের।
তাঁরা লক্ষ্য করেন রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে একদম নতুন কুড়ি টাকার নোট।

ঘটনায় সাময়িক ভাবে হচকিয়ে যান স্থানীয় মানুষ জন এবং দোকানিরা। কেউ ইচ্ছাকৃত ভাবে এই কান্ড ঘটিয়েছে। ফলে করোনা সংক্রমণের ভয়ে সঙ্গে সঙ্গে দোকান বন্ধ করে দেন ব্যবসায়ীরা।

ঘটনার খবর যায় হরপালপুর থানায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন পুলিশ কর্তারা। সংক্রমণ এড়াতে ওই নোটগুলির সংস্পর্শে আসা মোট ৬জনকে পাঠানো হয় হরপালপুরের একটি হোস্টেলের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে। আপাতত ১৪দিন ওই কোয়ারেন্টাইন সেন্টারেই কাটাতে হবে ৬ জনকে।

যদিও, এই টাকা প্রসঙ্গে হরপালপুর থানার পুলিশ আধিকারিক দিলীপ পান্ডে জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অপরাধীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আশা করা যায় খুব শীঘ্রই ধরা পড়বে অপরাধীরা। তবে সম্পূর্ণ ঘটনাটি চক্রান্ত করেই ঘটানো হয়েছে এমনটাই দাবি ওই পুলিশ আধিকারিকের।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।