ঢাকা: মধ্যরাত থেকে ঘড়ির কাঁটা এক সেকেন্ড এগিয়ে গেলেই পড়ে যাবে লকডাউনের সোমবার। টানা সাত দিন গণপরিবহণ হবে স্তব্ধ। জরুরি পরিষেবা ছাড়া বাকি সব ক্ষেত্রে থমকে যাবে জনজীবন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রবল আকার নেওয়ায় দ্বিতীয়বারের জন্য লকডাউনে বাংলাদেশ। জীবন বাঁচাতে রাজধানী ঢাকা থেকে হাজার হাজার মানুষ পাড়ি জমাচ্ছেন নিজ গ্রাম মফস্বলের দিকে।

সোমবার সকাল থেকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সাতদিনের জন্য লকডাউনের নির্দেশ কার্যকরী হবে। জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। দেশজুড়ে গণপরিবহন বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, তবে পণ্য পরিবহণ জরুরি পরিষেবা জ্বালানি, ওষুধ, পচনশীল, ত্রাণবাহী পরিবহণ, সংবাদপত্র ও গার্মেন্টস সামগ্রী এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

গত বছর করোনা সংক্রমণ রুখতে জারি হয় ‘সাধারণ ছুটি’। টানা কয়েক মাস সেই ছুটি জারি থাকে। পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে এবারে তাই ঢাকা ছাড়ার মরিয়া চেষ্টা শুরু হয়েছে আগেই।

আরো পোস্ট- ভোটের উত্তাপের চেয়েও ভয়ঙ্কর করোনা! গতকালের চেয়ে আক্রান্ত বাড়লো

শুধু রাজধানী ঢাকা নয়, বন্দর নগরী চট্টগ্রাম সহ অন্যান্য বিভাগীয় শহর রংপুর, কুমিল্লা, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, খুলনা, যশোর থেকেও কর্মরতরা নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যেতে মরিয়া।

এর ফলে রাজধানী ঢাকা জুড়ে বিশাল যানজট লেগেছে। বিভিন্ন শহরেও একই ছবি। যানজটে আটকে থাকা গাড়িতে করোনা আতঙ্ক নিয়ে নাক মুখ বন্ধ করে হাঁফাচ্ছেন যাত্রীরা। বিশাল এই যানজট সোমবার সকাল পর্যন্ত কাটবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। গণপরিবহণ ব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ হবে এই নির্দেশের ফলে সোমবার সকাল থেকে স্থব্ধ হবে বাংলাদেশ। ফলে সড়ক পরিবহণের পাশাপাশি নৌ পথ পরিবহণও থমকে যাবে।

বাংলাদেশে দ্বিতীয় দফার লকডাউন দক্ষিণ এশিয়ায় বিশেষ চর্চিত। কারণ, দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে আর কোনও দেশে সম্পূর্ণ লকডাউন হচ্ছে না। যদিও ভারতের কিছু এলাকায় চলছে লকডাউন।

বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ব্যাপক হারে বাড়ছে। প্রতিদিন ভাঙছে আগের দিনের রেকর্ড। রবিবার পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ৭ হাজার ৮৭ জনের শরীরে নতুন করে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। প মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৩৬৪ জনে পৌঁছে গেল। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে আরও ৫৩ জন মৃত। রবিবার পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হলো ৯ হাজার ২৬৬ জন। মোট ৫ লক্ষ ৪৭ হাজার ৪১১ জন করোনা থেকে সুস্থ হলেন বলে জানানো হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।