নয়াদিল্লি: শুক্রবার রাতে আকাশে উঠচে পূর্ণ চাঁদ। তবে এই দৃশ্য অন্যান্য বারের তুলনায় আলাদা। এই চাঁদকে বলা হয় স্ট্রবেরি মুন। আর সেই চাঁদের গ্রহণেরও সাক্ষী থাকবে পৃথিবী।

‘স্ট্রবেরি মুন’, একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় নাম। এই বিশেষ সময়ের পূর্ণ চাঁদকেই এই নামে ডাকা হয়। ‘মিড মুন’ বা ‘হানি মুন’ নামেও ডাকা হয় এই চাঁদকে।

কেন জুন মাসে চন্দ্রগ্রহণ হলে চাঁদকে এই নামে ডাকা হয়ে থাকে? আসলে এই সময়ই স্ট্রবেরির ফসল কাটার সময়। সেকথা মাথায় রেখেই জুন মাসে চন্দ্রগ্রহণ হলে সেই চাঁদকে ‘স্ট্রবেরি মুন’ নামে অভিহিত করা হয়।

প্রাচীন কালে ঋতু পরিবর্তনকে চিহ্নিত করতে চাঁদের সাহায্য নেওয়া হত। তারই ভিত্তিতে এই ক্যালেন্ডার। সেই সময় পূর্ব ইউরোপের সঙ্গে আমেরিকার আদি জন‌জাতি উত্তর গোলার্ধের পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত থাকা সুবিধাগুলির নামানুসারে এই নামকরণ করেন।

আমেরিকায় জুন মাসে স্ট্রবেরির ফসল কাটা হয়। তাই এই সময় দেখতে পাওয়া পূর্ণ চন্দ্রকে ‘স্ট্রবেরি মুন’ বলে ডাকা হয় এখানে।

শুক্রবার ভারত সহ এশিয়ার নানা দেশ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপের নানা দেশ, আন্টার্কটিকা থেকেও দেখা যাবে সেই দৃশ্য।

ভারতীয় সময় অনুসারে শুক্রবার রাত ১১টা ১৫ মিনিট থেকে শুরু হবে গ্রহণ। চলবে রাত ২ টো ৩৪ পর্যন্ত। এসময় অধিকাংশ ভারতই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। ভারত ছাড়াও ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা ও রাশিয়া থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে।

বৈজ্ঞানিকরা জানিয়েছেন, খালি চোখেই দেখা যাবে এই গ্রহণ। তাতে চোখে কোনও ক্ষতি হবে না। ১২ টা ৫৪ নাগাদ চাঁদের ওপর গ্রহণের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে বলে জানানো হয়েছে।

এর আগে চন্দ্রগ্রহণ হয়েছিল চলতি বছরের জানুয়ারির মাসে। সেটিও ছিল উপচ্ছায়া গ্রহণ। এবারেও তাই। এরপরের চন্দ্রগ্রহণ হবে ৫ জুলাই। চতুর্থ এবং শেষ চন্দ্রগ্রহণ হবে ৩০ নভেম্বর। তবে এবছরেই হয়েছে পিংক ফুল মুন এবং ফ্লাওয়ার ফুল মুন।

উল্লেখ্য, চন্দ্রগ্রহণ হয় সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক কারণে। একথা এখন বহুল প্রচলিত হলেও অনেক প্রতন্ত জায়গায় আজও গ্রহণ নিয়ে কুসংস্কার প্রচলিত আছে। অনেকেই এসময় খাবার ফেলে দেন, কেউ আবার এতে পৌরাণিক অস্ত্বিতের চরিত্রকে বিশ্বাস করেন।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও