বিশ্বজিৎ ঘোষ

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য তখন মুখ্যমন্ত্রী৷ সেই সময় তাঁর বিকৃত মুখের ছবি এঁকেছিলেন শুভাপ্রসন্ন৷ ওই ছবিতে প্রাক্তন ওই মুখ্যমন্ত্রীকে ‘নরখাদকে’র সঙ্গে তুলনা করা হয়েছিল৷ তার অন্যতম কারণ, নন্দীগ্রামকাণ্ড৷

পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে এবং স্বাভাবিক কারণে হয়তো সেই সময় নন্দীগ্রামকাণ্ডের জেরে আয়োজিত বিভিন্ন ধরনের প্রতিবাদ আন্দোলনেও ওই ‘নরখাদক’-ছবি বেশ স্থান করে নিয়েছিল৷ সেই সময় আন্দোলনরত বুদ্ধিজীবীদের বিভিন্ন অংশের কাছেও ওই ছবি বেশ সমাদৃত হয়েছিল৷ শুধুমাত্র তাই নয়৷ কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক এক বাংলা সংবাদপত্রের প্রথম পাতায়-ও ছাপানো হয়েছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর ওই বিকৃত মুখের ছবি৷

শুভাপ্রসন্ন তখন তৃণমূল কংগ্রেস-পন্থী শিল্পী হিসেবেও প্রকাশ্যে চলে এসেছেন৷ সরকার বিরোধী বিভিন্ন আন্দোলনেও অংশ নিচ্ছেন৷ অথচ, মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকাকালীন যেভাবে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর ওই ‘নরখাদক’-ছবি এঁকেছিলেন শুভাপ্রসন্ন, তার জেরে সেই সময় সিপিএম অথবা বামফ্রন্টের কোনও শরিক দলের তরফে সেভাবে বিরুদ্ধাচার প্রকাশ্যে আসেনি৷ তার পরে বদলে গিয়েছে সময়৷ পশ্চিমবঙ্গের শাসন ক্ষমতায় তখন এসে গিয়েছে ‘পরিবর্তনে’র সরকার৷

কিন্তু, যে তৃণমূল কংগ্রেসের ছত্রছায়ায় থেকে ‘নরখাদক’-ছবি আঁকতে পেরেছিলেন শুভাপ্রসন্ন, সেই একই দল পরিচালিত ‘পরিবর্তনে’র সরকারের আমলে আবার কার্টুনকাণ্ডের জেরে অম্বিকেশ মহাপাত্রকে কম হেনস্তারও সম্মুখীন হতে হয়নি৷ শুধুমাত্র কার্টুনকাণ্ড-ও নয়৷ কারণ, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ঘটনায় প্রশ্ন করার জেরে যেমন জুটেছে মাওবাদীর তকমা৷ তেমনই, বিরোধীদের প্রতি আক্রমণের উপায় হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে হাজির হয়েছে এক ধরনের সংস্কৃতি৷ আর, ওই সংস্কৃতির সৌজন্যে শাসকদলের তরফে বেশ প্রচার পেয়েছে ‘কুৎসা’-র বিষয়টিও৷ তবে, সারদাকাণ্ড সহ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ঘটনায় ‘পরিবর্তনে’র সরকারের কম-বেশি অস্বস্তির দোসর হিসেবে নারদকাণ্ডের হুল-কেও কার্যত এখন লজ্জায় মুখ লুকিয়ে নিতে হচ্ছে ক্যুইজ মাস্টার ডেরেক ও’ব্রায়েনের জাল ছবি-কাণ্ডের সৌজন্যে৷

শুধুমাত্র তাই নয়৷ ওই জাল ছবির বিষয়টির মাধ্যমেও এমন প্রকাশ পেয়েছে যে, শুধুমাত্র বিরোধিতার জন্যই জারি রয়েছে বিরোধিতা৷ অথচ, ক্যুইজ মাস্টার হিসেবে পরিচিত তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য ডেরেক ও’ব্রায়েন কীভাবে এই ধরনের কাণ্ড ঘটাতে পারেন, সেই বিষয়টি নিয়েও বিভিন্ন মহলে তামাশাও কম চলছে না৷ বিভিন্ন সময় বিজেপি এবং তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে ‘আঁতাঁতে’র অভিযোগ করা হচ্ছে বাম-কংগ্রেসের তরফে৷ আর, এ বার বিজেপি এবং সিপিএমের মধ্যে ‘আঁতাঁতে’র অভিযোগ প্রমাণ করতে গিয়ে কম বিপাকে পড়তে হল না খোদ তৃণমূল কংগ্রেসকেই৷ সিপিএমের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাতের মুখে লাড্ডু তুলে দিচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং৷ স্বাভাবিক ভাবেই বিভিন্ন মহলে এমন প্রশ্ন-ও উঠছে, কীভাবে এমন জাল-কাণ্ড ঘটাতে পারলেন ডেরেক ও’ব্রায়েনের মতো একজন বুদ্ধিদীপ্ত নেতা? কারণ, তিনি তো শুধুমাত্র তৃণমূল কংগ্রেসের একজন সংসদ সদস্য নন৷ একদিকে তিনি যেমন ওই দলের জাতীয় মুখপাত্র৷ তেমনই অন্যদিকে আবার তিনি রাজ্যসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-ও৷

যে কারণেও বিভিন্ন মহলে এমন প্রশ্ন-ও উঠছে, এমন মাপের একজন নেতার পক্ষে কীভাবে এমন জাল ছবির কাণ্ড ঘটতে পারে? প্রকাশ্যে আসা ওই ছবিতে শুধুমাত্র যে প্রকাশ কারাত এবং রাজনাথ সিং-কেই দেখা যাচ্ছে, তাও নয়৷ তার উপর, এটি এমনই এক ছবি, যেখানে স্বাভাবিক ভাবেই মনে হচ্ছে যে, ওই লাড্ডু খাওয়ানোর বিষয়টি ঘরোয়া কোনও অনুষ্ঠানের নয়৷ তবে, অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, ভারতীয় রাজনীতিতে এই ধরনের এক কাণ্ড ঘটে গিয়েছে, যেখানে বিজেপির নেতা রাজনাথ সিংয়ের হাত থেকে লাড্ডু খাচ্ছেন সিপিএমের ‘কট্টরপন্থী’ নেতা হিসেবে পরিচিত প্রকাশ কারাত, এবং, এই ধরনের কাণ্ড সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পেল না, তাও কীভাবে সম্ভব হতে পারে!! তেমনই, ভারতীয় রাজনীতিতে এমন সৌজন্যের ছবি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পেল না, অথচ, শুধুমাত্র ডেরেক ও’ব্রায়েনের রিসার্চ টিমের কাছেই পৌঁছে গেল!!

সিপিএম এবং বিজেপির মধ্যে ‘আঁতাঁত’ প্রমাণ করতে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সামনে ডেরেক ও’ব্রায়েন ওই ছবি প্রকাশ করেন৷ তবে, ওই ছবি প্রকাশের পরে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা সিদ্ধার্থনাথ সিং এমন জানান যে, ওই ছবি জাল৷ কারণ, আসল ছবিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে লাড্ডু খাওয়াচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং৷ ফটোশপের মাধ্যমে জাল ওই ছবিতে প্রধানমন্ত্রীর বদলে প্রকাশ কারাতের মুখ বসিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়৷ এ দিকে, ওই জাল ছবি তৃণমূল কংগ্রেসের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়েছিল৷ তবে, ওই ছবিটি যে জাল, সেই বিষয়টি জানাজানি হতেই ওই ওয়েবসাইট থেকে ওই ছবিটি সরিয়ে নেওয়া হয়৷ এবং, এই বিষয়টি জানিয়েও দেওয়া হয় তৃণমূল কংগ্রেসের ওয়েবসাইটে৷ যদিও, প্রকাশ্যে এসেছে, ওই জাল ছবি-কাণ্ডের বিষয়ে ডেরেক ও’ব্রায়েন এমন বলেছেন, দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তিনি ওই ছবি প্রকাশ্যে এনেছেন৷ এবং, রিসার্চ টিম ভুল করেছিল৷ তাই, ওই ছবি দলের ওয়েব সাইট থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে৷

তবে, ওই জাল ছবি-কাণ্ডের জেরে প্রকাশ কারাত এফআইআর করেছেন ডেরেক ও’ব্রায়েনের বিরুদ্ধে৷ একই সঙ্গে বিজেপি এবং সিপিএমের তরফে কলকাতায় পৃথকভাবে ডেরেক ও’ব্রায়েনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷ শুধুমাত্র তাই নয়৷ ডেরেক ও’ব্রায়েনের ওই জাল ছবি-কাণ্ডের বিষয়টি রাজ্যসভার এথিক্স কমিটির বৈঠকেও তুলেছেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি৷ পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে এসে তৃণমূল কংগ্রেস মানে ‘টেরর-মওত-করাপশন’ বলে আক্রমণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ আর, প্রধানমন্ত্রীর ওই মন্তব্যের পরের দিনই, বিজেপি মানে ‘ভয়ানক জালি পার্টি’ বলে পাল্টা আক্রমণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ নারদ নিউজের স্টিং অপারেশন ‘এক্স ফাইলসে’র ভিডিয়োকে প্রথমে ‘ভেজাল’ বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ শেষ পর্যন্ত অবশ্য ওই ভিডিয়োর সত্যতা কার্যত মেনে নেওয়া হয়েছে বলেও মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে প্রকাশ পেয়েছে৷ এ দিকে, বিভিন্ন সময় বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন খবরের ভিডিয়ো ফুটেজ পুরানো বলেও মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে প্রকাশ পেয়েছে৷

কোনও ছবি অথবা ভিডিয়ো জাল কি না, সেই বিষয়টিও এখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছে৷ যেমন, দিল্লির জেএনইউ-কাণ্ডে ‘দেশ বিরোধী’ স্লোগানের ভিডিয়ো৷ বামফ্রন্ট আমলের মন্ত্রী তথা বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী আব্দুর রেজ্জাক মোল্লা সম্প্রতি বৈদ্যুতিন এক সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত তাঁর বক্তব্যকে অস্বীকার করতেও হাতিয়ার করেছেন ওই ‘জাল’ তত্ত্ব৷ তবে, ডেরেক ও’ব্রায়েনের মাধ্যমে যেভাবে জাল ছবির সৌজন্যে খোদ তৃণমূল কংগ্রেসকেই বিপাকে পড়তে হয়েছে, তার জেরেও বিভিন্ন মহলে এই প্রসঙ্গটিও উঠছে, ক্ষমতাও যে বিচারবুদ্ধির লোপ ঘটাতে পারে, এই ঘটনা কার্যত তারই প্রমাণ৷ একই সঙ্গে বিভিন্ন মহলে এমন প্রশ্নও উঠছে, ‘পরিবর্তনে’র সরকারের উন্নয়নও কি ওই জাল ছবির মতো? কোনও কোনও মহল থেকে আবার এমনও বলা হচ্ছে, বিষয়টি দিল্লির লাড্ডুর মতো৷ কেননা এমন প্রচলিত রয়েছে, ওই লাড্ডু খেলেও পস্তাতে হয়, না খেলেও পস্তাতে হয়৷ কারণ, ‘পরিবর্তনে’র সরকার গঠনের এক বছরের মধ্যে ৯০ শতাংশ কাজ হয়ে গিয়েছিল বলে প্রকাশ পেয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে৷

অথচ, ২০১৪-র ২২ অক্টোবর এসএসকেএম হাসপাতালে এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যেই আবার এমন প্রকাশ পেয়েছিল, তাঁর আমলের প্রথম বছর কেটে গিয়েছে বিভিন্ন ধরনের নথিপত্রের খোঁজে৷পরের আড়াই বছর কাজ হয়েছে৷ তবে, বিভিন্ন ধরনের নির্বাচনের জন্য কাজে ব্যাঘাত ঘটেছে বলেও ওই দিন প্রকাশ পেয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে৷ যে কারণেও, স্বাভাবিক ভাবেও কি এমন প্রশ্ন উঠতে পারে না যে, মুখ্যমন্ত্রীর কোন মন্তব্যটি সঠিক? তেমনই আবার, ‘পরিবর্তনে’র সরকারের আমলে ‘উন্নয়নে’র তালিকায় অন্য বিভিন্ন বিষয়ের সঙ্গে স্থান করে নিয়েছে ‘কন্যাশ্রী’, ‘যুবশ্রী’, ‘সবুজ সাথী’,  এবং দু’ টাকা কেজি দরের চাল-ও (কেন্দ্রীয় সরকারের খাদ্য সুরক্ষা আইনের মাধ্যমেও নামমাত্র মূল্যে খাদ্যশস্য দেওয়া হচ্ছে)৷ যে কারণেও, এমন প্রশ্ন-ও কি অস্বাভাবিক হতে পারে যে, ‘কন্যাশ্রী’, ‘যুবশ্রী’, ‘সবুজ সাথী’ এবং দু’ টাকা কেজি দরের চালের বিষয়টি কীভাবে উন্নয়নের মাপকাঠি হতে পারে?

একই সঙ্গে এমন প্রশ্ন-ও কি উঠতে পারে না যে, নীল-সাদা রং অথবা নীল-সাদা আলোর মাধ্যমে সৌন্দর্যায়নের বিষয়টিও কীভাবে উন্নয়নের মাপকাঠি হতে পারে? কারণ, উন্নয়নের জেরে তো স্বাভাবিক ভাবেই মানুষের ক্রয় ক্ষমতাও বাড়বে৷ সে ক্ষেত্রে কি আর ‘পরিবর্তনে’র সরকারের আমলে ‘উন্নয়নে’র তালিকায় থাকা ওই সব বিষয় সেভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকতে পারে? স্বাভাবিক ভাবেই, এমন প্রশ্ন-ও কি উঠতে পারে না যে, ‘কন্যাশ্রী’, ‘যুবশ্রী’, ‘সবুজ সাথী’, দু’ টাকা কেজি দরে চালের মতো বিষয়গুলি আসলে সহায়তা প্রদান? আর, যে কারণেও আবার এমন প্রশ্ন-ও কি উঠতে পারে না যে, ‘পরিবর্তনে’র সরকারের আমলে ‘উন্নয়নে’র তালিকায় থাকা ওই বিষয়গুলির মাধ্যমে আসলে ব্যক্তিস্বার্থের স্বাদ উপভোগ করিয়ে ভোটব্যাংক অটুট রাখার প্রয়াস জারি রাখা হয়েছে? অর্থাৎ, ভোটব্যাংক অটুট রাখতে পাইয়ে দেওয়া এবং সৌন্দর্যায়নের মাধ্যমে ‘উন্নয়ন’ দেখানোর রাজনীতি? বিভিন্ন সময় তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয় উৎসবে হাজির করানো হয়েছে সবুজ রঙের লাড্ডু৷ সব মিলিয়ে, এমন প্রশ্ন-ও কি অস্বাভাবিক হতে পারে যে, ‘পরিবর্তনে’র সরকারের আমলে ‘উন্নয়ন’ আসলে ওই সবুজ রঙের লাড্ডু অথবা লাড্ডু খাওয়ানোর জাল ছবির মতো?

_________________________________________________________________

আরও পোস্ট এডিট এবং খবর:
(০১) ম্যালেরিয়া মুক্ত হচ্ছে ভুটান-চিন-নেপাল সহ ২১টি দেশ
(০২) সারদা-নারদের সত্য এবং মদন বনাম মদন আর মিত্র
(০৩) সারদাকাণ্ডে এক সাংবাদিকের আত্মহত্যা এবং মিডিয়া
(০৪) সারদা ভিত্তি হলে বাংলার ভবিষ্যৎ তবে এখন নারদ!
(০৫) রাজ-‘কুৎসা’য় যায় যদি যাক প্রাণ হীরকের রাজা…!
(০৬) বিপর্যয় মোকাবিলায় নিধিরাম মমতার ‘উন্নত’ দফতর
(০৭) নিখোঁজ ছেলের সন্ধানে আইনের বদলে ভরসা ফেসবুক
(০৮) বিবিধের মাঝে দ্বেষ-প্রেমের উগ্র জাতীয়তাবাদের মিলন মহান!
(০৯) দুর্বারকে অচ্ছুৎ রেখে সোনাগাছিতে স্বাবলম্বন স্পেশাল
(১০) সরকারি অর্থ মেলেনি বলে গরিব-বাড়ির ভরসা ক্লাব!
(১১) দাভোলকর-পথে কুসংস্কারের ক্রম মুক্তি হবে বাংলায়!
(১২) বাঙালি বলে নেতাজিকে হতে দেওয়া হয়নি প্রধানমন্ত্রী!!

_________________________________________________________________