ফাইল ছবি

মালদহ:  ইতিমধ্যে চার জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। হাওড়া, কলকাতা, বীরভূম ও হুগলীতে হতে পারে ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টি। বইতে পারে ঝড়ো হাওয়া। হাওয়ার গতি হতে পারে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। এমনটাই পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস।

যদিও ইতিমধ্যে দক্ষিণবঙ্গের কয়েক জেলায় ইতিমধ্যে ঝড় শুরু হয়ে গিয়েছে। চলছে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ব্যাপক বৃষ্টি। ব্যাপক বৃষ্টি হচ্ছে বীরভূমেও। বর্ধমানেও ঝড়, বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে। সেখানে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে ঝড়ের সতর্কতা দেওয়া হয়েছিল। এরপরেই শুরু হয় ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টি। ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে মালদহেও। সেখানে প্রবল বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

এদিন সকাল থেকে ক্রমে গরম বেড়েছে দক্ষিনবঙ্গের জেলাগুলিতে। দুপুরে অস্বস্তি আরও বেড়ে যায়। অতিরিক্ত আর্দ্রতাই এর কারণ। সেখান থেকেই স্থানীয় মেঘ জমাট বেঁধেছে এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।

বৃহস্পতিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। বুধবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। বৃষ্টি হয়নি। বর্ষার মরসুম কাছাকাছি, তাই বৃষ্টি না হলেই বাড়ছে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। যা বৃহস্পতিবার ভোগাতে পারে মানুষকে। দমদমের তাপমাত্রা ২৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সল্টলেকের তাপমাত্রা ২৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বুধবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম ছিল। মঙ্গলবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। বৃষ্টি হয়েছিল ৪.২ মিলিমিটার। এতেই পারদ কিছুটা নীচে নেমেছিল। কলকাতায় ৪১ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়াও দেয়। তবে তা কালবৈশাখীর শর্ত পূরণ করেনি। দমদমের পারদ ছিল ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বৃষ্টি হয়েছে ৬.৪ মিলিমিটার। সল্টলেকের পারদ ছিল ৩০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃষ্টি হয়েছে ৮.৮ মিলিমিটার।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প