প্রতীকী ছবি

কলকাতাঃ  ফের ঝড়ের পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আজ রবিবার সন্ধ্যা সাতটার মধ্যেই ঝড় আছড়ে পড়তে পারে রাজ্যে। ঝড় হতে পারে বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভুম, দুই ২৪ পরগণা, হাওড়া এবং কলকাতাতে এই ঝড় হতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। ৪০ থেকে ৫০ কিমি বেগে ঝড় আছড়ে পড়তে পারে বলে খবর।

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ হিমালয়ের পাদদেশে একটি ঘূর্ণাবর্ত ছিল। ঘূর্ণাবর্তটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ০.৯ কিলোমিটার উপরে অবস্থান করছিল। সেটি এখন নিম্নচাপ অক্ষরেখায় পরিণত হয়েছে। অক্ষরেখাটি তামিলনাড়ু থেকে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ অবধি হয়েছে। তার জেরেই মেদিনীপুরে ঝড়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।”

একই সঙ্গে তিনি বলেন, “এই নিম্নচাপ অক্ষরেখার জেরে বৃষ্টি হতে পারে কলকাতায়ও।” উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, হাওড়া, হুগলিতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবারেও এই সমস্ত জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

তবে, আবহবিদ সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় এমনও বলেছেন, “ওই নিম্নচাপ অক্ষরেখা প্রচুর আর্দ্র হাওয়াকে টেনে আনছে কলকাতার দিকে। ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও ঘাম ঝরছে শহরবাসীর।” আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শনিবার কলকাতার তাপমাত্রা ছিল সর্বোচ্চ ৩৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের চেয়ে তিন ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৮৯ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৫০ শতাংশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।