বিয়ে করলেই সবাই সুখী হতে পারে না। তাই তো প্রেমের বিয়ের পরও বিচ্ছেদ হরদম শোনা যায়।

দু’জনের বোঝাপোড়া ঠিক রেখে সংসার করতে হয়। কিন্তু এই দম্পতিরা প্রমাণ করেছেন যে বিয়ে টিকিয়ে রাখাটাই বড় চ্যালেঞ্জ এখন।

সে চ্যালেঞ্জ এটি কঠিন হতে পারে যে সঙ্গীর যত্ন নিলেও বিচ্ছেদ হতে পারে সেখান থেকেই। ভাবতে অবাক লাগছে? এই দম্পতিরা সেগুলোই করে দেখিয়েছে যা আপাতভাবে হাস্যকর।

১. স্বামী বেশি যত্নবান হলেও যে ডিভোর্স হতে পারে স্বেতা প্রমাণ করেছেন আমিরশাহির এক মহিলা। ওই মহিলার অভিযোগ ছিল যে তার স্বামী নাকি খুব বেশি কেয়ারিং।

সর্বদা খেয়াল রাখা, সংসারের কাজকর্ম করা তো বটেই, আবার স্ত্রী দোষকরলেও ফোঁসফাঁস করেন না স্বামী। এত রোম্যান্টিক সেই স্বামী যে তা অসহ্য লাগছিলো ওই মহিলার।

সেটা সহ্য করতে না পেরেই নাকি ওই ব্যক্তিকে ডিভোর্স দেন মহিলা।

আরো পোস্ট- শুধু বরফ নয়, শাক-সব্জিও বাজানো যায়! জানতেন…

২. স্বামী বড্ড বেশি কথা বলেন। এটাও নাকি বড্ডো বেশি ঝামেলা।

এমনকি, তিনি নাকি স্ত্রীর কাছে কোনও কথা গোপন রাখতে পারেন না। ৩৮ বছরের মারিয়াম আদুন্নির এমন অভিযোগ জানিয়েছিলেন।

তিনি বলেন যে পরিবারের কথাও নিজের বন্ধুবান্ধবদের জানিয়ে দিতেন তিনি। আবার সেই মহিলাকে তিনি একটুও বিশ্বাস করেন না। তাদের ছয় বছরের সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়।

৩. মায়ের প্রতি টান থেকেই বিচ্ছেদ। জানা যায় যে মায়ের প্রতি এতই টান যে তাকে ছাড়া থাকতেই পারেন না।

এমনকি, হানিমুনেও গিয়েও ওই দম্পতির সঙ্গে ছিলেন মা। ২০১২-র গোড়ায় তাদের হানিমুন হওয়ার পর ইতালির ওই দম্পতির বিয়ে টিকেছিল মাত্র তিন সপ্তাহ।

৪. ক্রমাগত টেক্সট মেসেজ করে গেলেও তার উত্তর দেননি স্বামী। এমনকি, মেসেজগুলো দেখা সত্ত্বেও কোনো জবাব দিচ্ছিলেন না।

তাতেই রেগে যান তাইওয়ানের এক মহিলা। এর পর আর স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চাননি তিনি।

৫. ২০১৭-তে ইতালির এক ব্যক্তি ডিভোর্সের মামলা করেন এই কারণে যে তার স্ত্রীকে নাকি তিনি শূন্যে ভেসে থাকতে দেখেছেন। বছর দশেক ধরেই নাকি অদ্ভুত আচরণ করছিলেন তিনি।

শেষে তাদের ডিভোর্স হলেও ওই নারীকে কোনো ভাবেই দায়ী করেনি মিলানের কোর্ট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.