ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা:  রাজ্য থেকে অক্সিজেন অন্যত্র পাঠানো বন্ধ হোক। চিঠি দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আরজি জানাল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। নবান্নের তরফে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, রাজ্যে অক্সিজেনের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। পশ্চিমবঙ্গে অন্তত ৪৫০ মেট্রিক টন অক্সিজেন প্রয়োজন। কিন্তু দৈনিক ২০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন রাজ্য থেকে অন্যত্র পাঠাচ্ছে কেন্দ্র।

আরও পড়ুন: করোনা পরিস্থিতি: ‘আমন্ত্রণ পেলে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে নিশ্চয়ই থাকতাম’, বললেন মমতা

প্রতিবেশী রাজ্যগুলির মতো বাংলার সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে অক্সিজেনের ঘাটতি এখনও সেভাবে দেখা না দিলেও পোর্টেবল অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রায় ‘শূন্য’ হয়ে গিয়েছে খোলা বাজার থেকে। আগে বিভিন্ন ওষুধের দোকানেই অক্সিজেন সিলিন্ডার ভাড়া পাওয়া যেত। কিন্তু এখন তাও মিলছে না৷ পরিস্থিতি যা তাতে চিকিৎসকদের একাংশ বলছেন, ‘‘যে ভাবে দৈনিক সংক্রমণ বাড়ছে, তাতে ঠিক মতো অক্সিজেনের জোগান না-থাকলে বঙ্গেও এক সময়ে চূড়ান্ত সমস্যা দেখা দেবে।’’

আরও পড়ুন: করোনা লড়াইয়ে সামিল আন্দোলনরত কৃষকেরাও, জরুরি পরিষেবার জন্য খোলা হল রাস্তা

ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও অক্সিজেন সরবরাহ যাতে ঠিকঠাক থাকে, তার আবেদন জানিয়েছেন। শুক্রবার অক্সিজেনের বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। সূত্রের খবর, এ রাজ্যের সরকারি, আধা-সরকারি বা বেসরকারি ক্ষেত্রে উৎপন্ন অক্সিজেন যাতে বাইরে না নিয়ে যাওয়া হয়, তার জন্য কেন্দ্রকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: অক্সিজেন সিলিন্ডার দিয়ে মানুষকে সাহায্য করতে ২২ লাখের গাড়ি বেচলেন যুবক

এদিন করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ১০ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছন প্রধানমন্ত্রী। সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে প্রধানমন্ত্রীর। বৈঠকে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। বৈঠকে রয়েছেন দিল্লি, রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাব, ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রীরা। সরাসরি সম্প্রচারিত হওয়া মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই বৈঠকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল মোদীকে বলেছেন, ‘‘দিল্লিতে অক্সিজেনের অভাব প্রকট। লোকে শুধু মাত্র অক্সিজেনের অভাবে মারা যাচ্ছেন। আপনি দ্রুত পদক্ষেপ করুন। না হলে দিল্লির পরিস্থিতি বেদনাদায়ক হয়ে উঠবে।’’ পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশা থেকে আকাশপথে অক্সিজেন আনার ব্যবস্থা করতেও বলেছেন কেজরী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.