নয়াদিল্লি: করোনার সংক্রমণ রুখতে ভিন রাজ্য থেকে দলে দলে শ্রমিকদের ফেরানো বন্ধ করতে হবে৷এই মর্মে রাজ্যগুলিকে নির্দেশিকা পাঠাল কেন্দ্রীয় সরকার৷ প্রধানমন্ত্রীর হঠাৎ করে টানা ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণায় বিভিন্ন রাজ্যে আটকে পরেছে শ্রমিকরা৷

করোনার সংক্রমণঁ রুখতে মঙ্গলবার রাত থেকে সারা দেশে লকডাউন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ এই লকডাউন চলবে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত৷ কিন্তু করোনা আতঙ্কের মাধ্যেই রাজ্যগুলির উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভিন রাজ্যে আটকে পড় শ্রমিকরা৷ তাদের কীভাবে বাড়ি ফেরানো যায় তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুুরু করে দিয়েছে বিভিন্ন রাজ্য৷ কিন্তু এতে  করোনা সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় সরকার৷

এই আশঙ্কার কথা জানিয়ে, শুক্রবার দেশের সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে চিঠি দেয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক৷ এখন থেকে আর ভিন রাজ্যে আটকে পড়া বা অন্য কাজে গিয়ে আটকে পড়া ব্যক্তিদের নিজের রাজ্যে ফেরাতে পারবে না রাজ্য সরকার গুলি৷ করোনার সংক্রমণ রুখতে এই প্রবণতা বন্ধ করতে হবে৷ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গুলিকে চিঠি লিখে স্পষ্ট নির্দেশিকা পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার.

ওই নির্দেশিকায় কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, যে রাজ্যগুলিতে ভিন রাজ্যের শ্রমিকরা আটকে রয়েছেন, খাওয়া উচিত সম্পূর্ণ ব্যবস্থা করতে হবে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার গুলিকেই৷ বৃহস্পতিবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভিন রাজ্যে আটকে পড়া বাঙালি শ্রমিকদের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ ১৮টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লেখেন৷ সেখানে আটকে শ্রমিকদের থাকা ও খাওয়ার বন্দোবস্ত করার আর্জি জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা৷

শুক্রবার পর্যন্ত গোটা দেশে করন আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ছ’শো ছাড়িয়েছে৷ মরণ রোগে আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের৷ দেশে ক্রমেই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা৷ রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ১৫ জনের শরীরে মিলেছেন COVID19 ভাইরাস৷ এঁদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে৷ এদিন রাজ্যে পাঁচজনের শরীরে করোনা ভাইরাস ধরা পড়েছে৷ এঁরা প্রত্যেকেই একই পরিবারের সদস্য৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।