মেক্সিকো: আজ থেকে ৩০ হাজার বছর আগে আমেরিকায় (america) মানুষ বাস করত। এই মানুষরা বাস করত দক্ষিণ আমেরিকায় (south america)। গবেষণা বলছে আজ ৩৩,৩৪৮ থেকে ২৮ হাজার ২৭৯ বছর আগে তারা থাকত আজকের দক্ষিণ মেক্সিকোতে (mexico)।

এতদিন বলা হত আজ থেকে ১০হাজার বছর আগে প্রথম আমেরিকা নামক ভূখণ্ডে মানুষের (human) বসবাস করত। এই গবেষণার পর সম্পূর্ণ ধারণা অনেকটাই বদলে গেল তা বলা যেতে পারে। যদিও একটি ধারণা এও বলত ৩৩ হাজার বছর আগে মধ্য মেক্সিকোতে মানুষ বাস করত।

যে গবেষণায় এই প্রমাণ মিলেছে যে ৩৩ হাজার বছর আগে আমেরিকায় মানুষ বাস করত সেটি পাওয়া গিয়েছে একটি গুহা থেকে। এন্থরোপোলজিস্ট ও আর্কিওলজিস্ট এন্ড্রিও সমরভিল ও তার দুই মেক্সিকান সহকর্মী কয়েকটি পশুর হাড়কে পরীক্ষা করেন যা মেক্সিকো সিটি ল্যাবরেটরিতে সংরক্ষণ করে রাখা ছিল। সেগুলি খরগোশের হাড় ছিল।এগুলি পাওয়া গিয়েছিল ১৯৬০ সালের একটি কক্সকাতালান গুহার পাথর থেকে।

এই হাড় গুলির উপর তাঁরা রেডিওকার্বন এনালিসিস চালান। ছ’টি হাড় নিয়ে হয় পরীক্ষা। এগুলির উপর মাটির বিশাল আচ্ছাদন পড়েছিল। দেখা যাচ্ছিল ওই মাটি বহু পুরনো। মাটিতে অনেক দাগ পাওয়া যায় যা তীক্ষ্ণ কোনও পাথরের তৈরি কোনও কিছু দিয়ে আঘাত করার ইঙ্গিত দিচ্ছিল।

প্রথমে ওই মাটি পরীক্ষা করে মনে হয় হাড়গুলি মোটামুটি ৯,৯০০ বছরের পুরনো। কারণ সেগুলিতে মানুষের পাথর দিয়ে তৈরি করা যন্ত্রের আঘাত মিলছিল। মানুষ বসবাসের প্রমাণ স্পষ্ট ছিল। এমসের লোয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী সমরভিল ওই খরগোশের হাড় এবং এর গায়ে লেগে থাকা মাটি অনেক পরীক্ষা করে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন এগুলি ১২হাজার বছরের পুরনো, এবং সেগুলিতে মানুষের কাজ কর্মের প্রমান রয়েছে। কিন্তু আরও পরীক্ষা করতেই অন্য তথ্য বেরিয়ে আসে। সেখানে ৩০ হাজার বছর আগেও মানুষের ক্রিয়াকলাপের প্রমাণ মেলে।।

সমরভিল অন্যান্য মেক্সিকোর এমন গুহার পাথর , মাটি নিয়ে পরীক্ষা করেন। পাশাপাশি মানুষের ব্যবহার করা যন্ত্রের প্রয়োগ দেখে গবেষক এই সিদ্ধান্তে এসে পৌঁছেছেন যে ৯,৯০০ থেকে ১৩,৫০০ বছর আগে কক্সকাতালান গুহায় এক ধরণের মানুষ বাস করত যাদের জীবন জীবিকা একটা অন্য ধারার ছিল।

শেষ বরফ যুগ যখন এসেছিল অর্থাৎ ২৬ থেকে ১৯ হাজার বছর আগে তখন খাবার ও জলের অভাব পড়েছিল। তখন কিছু মানুষকে জীবন জীবিকাকে বদল করতে বাধ্য করেছিল এবং তাদের পূর্ববর্তী থাকার স্থান থেকে তাদের বিচ্যুত করে এনেছিল অন্য স্থানে। তারা অবস্থার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত সেখানেই থাকত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.