ভরদুপুরে ফোন ছিনিয়ে নিয়ে সেই ফোন স্বয়ং চোর মহাশয়ই ফিরিয়ে দিল। হ্যাঁ, শুনতে অবাক লাগলেও এমনটাই ঘটেছে নয়ডার এক সাংবাদিকের সঙ্গে। একটু চোখ কান খোলা রাখলেই আশেপাশে শোনা যাবে অসংখ্য ফোন চুরির গল্প। ফোন চুরি এতই সাধারণ হয়ে গেছে যে পুলিশও গুরুত্ব দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। কটা ফোন চোরকেই বা রোজ তারা ধরবে।

নয়ডা সেক্টর ৫২ মেট্রো স্টেশনে দাঁড়িয়েছিলেন সাংবাদিক দেবায়ন রায়। হাতে ফোন নিয়ে মেসেজ করছিলেন ঠিক এমনই সময় তার হাত থেকে স্মার্টফোনটি ছিনিয়ে নিয়ে দৌড় দেয় মাস্ক পরিহিত এক ব্যক্তি। কী করবেন বুঝতে না পেরে দেবায়নও দৌড়ায় চোরের পিছনে। কিছুটা যেতেই তিনি দেখেন চোরটি তার দিকেই এগিয়ে আসছে। তারপরেই ঘটে সেই অবাক করা কাণ্ড। চোরটি বলে, ‘ভাই মুঝে লাগা ইয়ে OnePlus 9 Pro মডেল হ্যয়।’ এই বলে ফোনটি দেবায়নের সামনেই রাস্তার উপর রেখে পালিয়ে যায়। চোরটি ভেবেছিল দেবায়নের হাতের ফোনটি OnePlus 9 Pro। তাই সেটি চুরি করতে চেয়েছিল। এমন কাণ্ড দেখে হতবাক হয়ে যায় দেবায়ন। আর ভাবেন এমন জিনিস ঘটে দুনিয়ায়।

পেশায় দেবায়ন একজন সাংবাদিক। একটি অনলাইন পোর্টালে কাজ করেন তিনি। তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন। টুইট করে তিনি বলেছেন, ‘ফোন চুরির এমন ঘটনা আমায় বেমালুম বোকা বানিয়ে ছেড়েছে।’ এই ঘটনা টুইট করার সঙ্গে সঙ্গে চারিদিকে হাসির রোল ওঠে। আসতে থাকে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া। কেউ হাসতে থাকেন, কেউবা দেবায়নের প্রতি উদ্বেগ দেখিয়ে জানতে চায় তিনি ঠিক আছেন কিনা। কেউ আবার মজার ছলে জিজ্ঞাসা করেছেন, ‘কি ফোন ছিল আপনার কাছে’। তার উত্তরে দেবায়ন জানান তিনি Samsung Galaxy S10 Plus স্মার্টফোনটি ব্যবহার করেন। কেউ আবার বিদ্রুপ করে বলেছেন, ‘চোরদের ও আজকাল একটা স্ট্যান্ডার্ড রয়েছে।’

করোনা আবহে অর্থনীতি যেভাবে ভেঙে পড়েছে তাতে এইসব ছিঁচকে চোরের উপদ্রপ বাড়ছে। ফোন চুরি খুব সাধারণ ঘটনা হয়ে থাকলেও বর্তমানে তা আরও বেড়ে গেছে। নিজের সখের ফোন খোয়া গেলে আমরা সকলেই দুঃখ পাই। তবে এই ঘটনা দেখে মোটেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবেন না। কারণ সবার ভাগ্য তো দেবায়নের মত নাও হতে পারে। তাই সচেতন থাকুন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।