স্টাফ রিপোর্টার, পূর্ব বর্ধমান: পাঁইটা গ্রামে রক্ষাকালী মন্দিরে গয়না চুরির ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ৷ শিলিগুড়ি থেকে এই পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে হুগলির আরামবাগ থানার পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে চুরি যাওয়া গয়না উদ্ধার হয়েছে।জানা গিয়েছে, সোমবার ধৃতদের আদালতে পেশ করা হবে৷

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার গভীর রাতে মাধবডিহি থানার পাঁইটা গ্রামের রক্ষাকালী মন্দিরের তালা ভেঙে গয়না চুরি যায়। রবিবার সকালে মন্দির কমিটির লোকজন বিষয়টি জানতে পারেন। কালি মূর্তির সীতাহার, নেকলেস সহ ১৯ রকমের গয়না চুরি যায়। মন্দির কমিটি বিষয়টি পুলিশকে জানায়। মাধবডিহি থানার পুলিশ অন্যান্য জেলার থানাগুলিতে খবর পাঠিয়ে দেয়৷

আরামবাগ থানার প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, এই চুরির সঙ্গে যারা যুক্ত রয়েছে তাদের একটি দল শিলিগুড়িতে রয়েছে৷ এরপর আরামবাগ থানার ও মাধবডিহি থানার পুলিশ শিলিগুড়িতে পৌঁছয়। সেখানে রাস্তার ধারে দলটি বসেছিল৷ পুলিশ দেখে সন্দেহভাজনরা পালাতে গিয়েছিল বলে পুলিশ পরে জানিয়েছে। তাড়া করে পাঁচজনকে ধরে ফেলে পুলিশ৷ জিজ্ঞাসাবাদে মন্দিরে চুরির কথা ধৃতরা স্বীকার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম মই বেদ, খেঁচু সিংহ, প্রশান্ত বেদ, রাহুল বেদ ও মুক্তার সিংহ।

মন্দির কমিটির সম্পাদক রাজকুমার দত্ত বলেন, উদ্ধার হওয়া গয়না রক্ষাকালী মন্দিরের। সব গয়না উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, কয়েকবছর আগে বেদেদের একটি দল জেলায় আসে। তাদের বাড়ি চন্দ্রকোণায়। দলটি মেমারি, জামালপুর ও রায়নার বিভিন্ন জাযগায চুরি করে। দিনের বেলায় তারা মধু বিক্রি করত। মধু বিক্রির অছিলায় বিভিন্ন বাড়ি ও মন্দিরের উপর নজরদারি চালাত তারা।

তারপর টার্গেট স্থির করে চুরি করত তারা। দলটি শেষমেশ ধরা পড়ে। সেই দলটিই ফের ফিরে এসেছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। দিনকয়েক আগে জামালপুরে একটি দোকানে চুরির ঘটনায় দুই মহিলা গ্রেফতার হয়। তারাও বেদে সম্প্রদায়ের বলে জানা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.