মুম্বই: আগামী সোমবার আঙুলে অস্ত্রোপচার হবে। তাই শনিবারই মুম্বইয়ে রাজস্থান রয়্যালসের জৈব বলয় ছেড়ে দেশে ফিরে যাচ্ছেন ইংরেজ অল-রাউন্ডার বেন স্টোকস। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের তরফ থেকে জানানো হয়েছে,পুনরায় এক্স-রে এবং সিটি স্ক্যানের পর বিশ্বজয়ী অল-রাউন্ডারের বাম তর্জনীতে চিড় ধরা পড়েছে। আগামী সোমবার লিডসে তাঁর অস্ত্রোপচার হবে।

উল্লেখ্য, চলতি আইপিএলের প্রথম ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ক্রিস গেইলের ক্যাচ ধরতে গিয়ে বাঁ-হাতের তর্জনীতে আঘাত পান স্টোকস। প্রাথমিকভাবে সেই চোটের গুরুত্ব বোঝা না গেলেও পরে জানা গিয়েছে ইংরেজ অল-রাউন্ডারের আঙুলে চিড় ধরেছে। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের তরফ থেকে জানানো হয়েছে অস্ত্রোপচারের পর তিন মাসের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হবে স্টোকসকে। রয়্যালস শিবির থেকে যদিও প্রাথমিকভাবে দাবি করা হয়েছিল যে দলের সঙ্গে থেকে আগামী কয়েকদিন মাঠের বাইরে দলকে তাতাবেন স্টোকস।

কিন্তু স্টোকসের আঙুলে অস্ত্রোপচারটি জরুরি ভিত্তিতে করানোর প্রয়োজন হয়ে পড়ায় সময়ের আগেই ভারত ছাড়ছেন ইংরেজ অল-রাউন্ডার। শুক্রবার ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের তরফ থেকে প্রেস রিলিজে জানানো হয়েছে, ‘ইংল্যান্ড অল-রাউন্ডার বেন স্টোকস ১২ সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে থাকবেন। বৃহস্পতিবার পুনরায় সিটি স্ক্যান এবং এক্স-রে রিপোর্টে জানা গিয়েছে তাঁর বাঁ-হাতের তর্জনীতে চিড় ধরেছে। স্টোকস আপাতত ভারতে ইন্ডিয়াম প্রিমিয়র লিগে রাজস্থা রয়্যালসের সঙ্গে রয়েছেন। আগামীকাল তিনি দেশে ফিরবেন। সোমবার লিডসে তাঁর অস্ত্রোপচার হবে।’

গত সোমবার চোট নিয়ে পরবর্তীতে ব্যাট হাতেও নেমেছিলেন স্টোকস। যদিও প্রথম ওভারেই শূন্য রানে ফিরে যেতে হয় তাঁকে। ওই ম্যাচের পরেই রয়্যালস শিবিরের তরফ থেকে স্টোকসের আইপিএল থেকে ছিটকে যাওয়ার খবর জানানো হয়। নিঃসন্দেহে এই ঘটনা বড় ধাক্কা রয়ালসদের জন্য। যদিও বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় ম্যাচে স্টোকসকে ছাড়াই জয় পেয়েছেন রাজস্থান। অস্ত্রোপচারের কারণে জাতীয় দলের হয়ে আগামী জুনে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ড সিরিজে অংশ নিতে পারবেন না স্টোকস।

উল্লেখ্য, আইপিএলের আগে ইংল্যান্ডের ভারত সফরে টেস্ট, টি-২০ এবং ওডিআই সিরিজের সদস্য ছিলেন এই অল-রাউন্ডার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.