কলকাতা : নিফটি ও সেনসেক্স দুটোই বুধবার বেড়ে রয়েছে। সেনসেক্স প্রায় ৫০ হাজারের দোরগোড়ায়। আর নিফটি ১০০ পয়েন্ট পর্যন্ত বেড়ে আছে। এটা সর্বোচ্চ বৃদ্ধির দিকে যাচ্ছে। বাজারের এই অবস্থাটাকে বলা হয় “বুল”। তবে বাজার যে এতটা বেড়ে থাকার ফলে আচমকা পরে যাবে না তেমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। বৃহস্পতিবার নিফটি বেলা ১২ টার পর ১৪,৯৩৪ -এ পৌঁছয়। এটা বাজারের ক্ষেত্রে ভালো লক্ষণ বলেই শেয়ার বিশেষজ্ঞরা বলছেন। তবে লাভের আশায় এখন শেয়ার বিনিয়োগ করা যেতেই পারে, বিশেষজ্ঞরা সেই পরামর্শও দিচ্ছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অবস্থায় শেয়ার কিনবেন, তবে সেটা ভাবনা চিন্তা করে। করোও হাতে যদি ১০০ টাকা থাকে তাহলে তার উচিত ২৫ টাকার শেয়ার কিনে ৭৫ টাকা হাতে রেখে দেওয়া। বাজার এখন ঊর্ধ্বমুখী। তাই এখন blue chip শেয়ার কেনার দিকে বেশি জোর দিতে হবে। শেয়ার কিনতে হবে বাজারের অবস্থা দেখে। কারণ এখন শেয়ার বাজার ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে বলে সেটা যে আচমকা নেমে যাবে না তার গ্যারান্টি কেউ দিতে পারেন না।

সার্বিকভাবে বাঙালি অনেকদিন ধরেই শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে। এর অন্যতম কারণ তাৎক্ষণিক লাভের আশা। তবে সম্প্রতি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলি যেভাবে সুদের হার কমিয়ে দিচ্ছে তাতে মানুষ শেয়ার বাজারে টাকা বিনিয়োগে আগ্রহী হয়ে পড়ছেন। কারণ তাঁরা ভাবছেন ব্যাংকে টাকা গচ্ছিত রেখে তাঁদের যে সুদটা মার্ গেছে শেয়ার বাজারে টাকা খাটিয়ে সেই টাকাটা যদি তুলে নেওয়া যায়। তবে এর সবটাই নির্ভর করছে কিছু হিসেবের ওপর। কেননা বিনিয়োগ করার সময় প্রথমেই দেখতে হবে কোথায় বিনিয়োগ করছি। যেখানে বিনিয়োগ করছি সেই সংস্থার বিগত সময়ে লাভের পরিমাণ কী ছিল। তাই বিশেষ করে ব্যাঙ্ক, ওএনজিসি, তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় বিনিয়োগ করা লাভজনক হবে। এটা শেয়ার বিশেষজ্ঞদের অভিমত। এই ধরণের সারিগুলোকেই blue chip শেয়ার কিনতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এখানে বিনিয়োগ করলে লাভের সম্ভাবনা বেশি থেকে যায়।

তাই বাজার ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে বলেই শেয়ার বাজারে ইচ্ছা মতো টাকা বিনিয়োগ করে দিলেন এই ভুলটি করবেন না। কারণ শেয়ার বাজারের চরিত্র সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো। তাই সমুদ্রে যেমন ঢেউ মেপে চলতে হয়, শেয়ার বাজারেও তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে বিনিয়োগ করতে হয়। সেটা মাথায় রয়েছেই বিনিয়োগ করা ভালো।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।