মুম্বই: শুক্রবারে একেবারে ধস নামল ভারতের শেয়ার বাজারে। ‌ বিশ্ববাজারে শেয়ারের খারাপ দশার প্রভাব পড়েছে এদেশে শেয়ারবাজারেও ‌। বন্ডের ক্ষেত্রে ইল্ড বাড়লেও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ বিশ্বব্যাপী লগ্নিকারীদের উপর প্রভাব ফেলেছে ‌। এদিন বিএসই সেনসেক্স ১৯৩৯ পয়েন্ট বা ৩.৮০ শতাংশ নেমে গিয়ে অবস্থান করছে ৪৯,১০০ পয়েন্টে । অন্যদিকে এনএসই নিফটি ৫৬৮ পয়েন্ট বা ৩.৭৬ শতাংশ নেমে দিনের শেষে অবস্থান করছে ১৪,৫২৯ পয়েন্টে। ব্যাংক এবং আর্থিক সংস্থার শেয়ারগুলির অবস্থা চরম খারাপ হতে দেখা গিয়েছে বিশ্বজুড়ে শেয়ার বেচার হিড়িক দেখা দেওয়ায়।

বিএসইতে যেসব শেয়ারগুলি রীতিমতো পতন লক্ষ্য করা গিয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছে-ওএনজিসি, মহিন্দ্র অ্যান্ড মহিন্দ্র, পাওয়ার গ্রিড, বাজাজ ফিন সার্ভিস, অ্যাক্সিস ব্যাংক এবং কোটাক মাহিন্দ্র ব্যাংক । এইসব শেয়ারগুলির পতন ঘটেছে ৬.৩৪ শতাংশ পর্যন্ত। অন্যদিকে এনএসই প্লাটফর্মে সবকটি ক্ষেত্রের সূচক এদিন লাল ছিল। এরমধ্যে নিফটি প্রাইভেট ব্যাংক এবং নিফটি ফিনান্সিয়াল সার্ভিস এই দুই ক্ষেত্রে সূচক নেমে গিয়েছে ৪.৯৩ শতাংশ।

সম্প্রতি আমেরিকায় বন্ডের ইল্ড অর্থাৎ বন্ড থেকে আয়ের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া প্রতিফলিত করছে অর্থনীতি বৃদ্ধির ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ও ঘুরে দাঁড়ানোর আশা জাগাচ্ছে কিন্তু আবার উচ্চ হারে মুদ্রাস্ফীতি মাথাচাড়া দিতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। এর ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাধ্য হতে পারে সুদের হার বাড়াতে ।যেহেতু বন্ডের ইল্ড‌ এবং ইকুইটি  রিটার্ন ব্যস্তনুপাতিক সেহেতু একটা আশঙ্কা দানা বেঁধেছে বিদেশি লগ্নিকারীরা শেয়ার বাজার থেকে তাদের তহবিল উঠিয়ে নিতে পারেন । এটাই সাধারণত দেখা যায় যখন বন্ড থেকে ভালো আয় হয় তখন  শেয়ার বাজারের অবস্থা খারাপ হয়।

তবে দেশের ভিতরে লগ্নিকারীরা তাকিয়ে আছে জিডিপি সম্পর্কে তথ্য যা আজকে পরের দিকে বের হওয়ার কথা। তবে রয়টার পূর্বাভাস দিয়েছে ডিসেম্বরের শেষ হওয়া ত্রৈমাসিকে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে। শুক্রবার এভাবে শেয়ার বাজারে ধস নামলেও তার আগে তিন দিন টানা শেয়ার বাজার উঠেছে । তবে এই সপ্তাহের শুরুতেই সোমবারে বড় সর পতন দেখা গিয়েছিল শেয়ারবাজারে ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।