মুম্বই : বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের আতঙ্ক, তার উপর আবার দেশের ভিতরে ইয়েস ব্যাংকের সংকট ৷ সব মিলিয়ে শুক্রবারে রীতিমতো ধস নামল এদেশের শেয়ার বাজারে৷ শুক্রবার সকাল থেকেই শেয়ারবজারের ধস নামে শেয়ার বাজারে। টাকা দুর্বল হওয়ায় ডলারের সাপেক্ষে টাকার দাম অনেকটাই কমে যায়.

ফলে এক সময় সেনসেক্স ১৪৫৯.৫২ পয়েন্ট নেমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৭,০১১.০৯ পয়েন্টে। অন্য দিকে, নিফটি ৪৪১.৬০ পয়েন্ট নিচে নেমে পৌছয় ১০,৮২৭.৪০-এ। এই ভাবে গোটা দিন শেয়ারসূচক ওঠানামা করে দিনেম শেষে সেনসেক্স গত দিনের তুলনায় ৮৯৩.৯৯ পয়েন্ট নেমে অবস্থান করছে ৩৭,৫৭৬.৬২ পয়েন্টে ৷ আর নিফটি ২৭৯.৫৫ পয়েন্ট নেমে দিনের শেষে অবস্থান করছে ১০,৯৯৮.৪৫ পয়েন্ট৷ এদিকে এক সময় ডলারের বিনিময় মূল্য গিয়ে দাঁড়ায় ৭৪টাকা ৮ পয়সায়৷

চিনে করোনা ভাইরাস দেখা দিলেও এর আতঙ্ক গোটা দুনিয়ায়ে ছড়িয়েছে ৷ পাশাপাশি প্রভাব ফেলেছে বিশ্ব অর্থনীতিতেও৷ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দুনিয়াজুড়ে শেয়ার বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে ৷ এমন পরিস্থিতিতে সংশয়ে রয়েছেন লগ্নিকারীরাও ৷ শেয়ারের বদলে সোনার মতো অন্য কোনও কম ঝুঁকির সম্পদে লগ্নির দিকে ঝুঁকছেন৷ বিশ্বের প্রধান প্রধান শেয়ার বাজারের পাশাপাশি এদেশের শেয়ার বাজারেও প্রভাব পড়তে দেখা গিয়েছে৷ তবে সম্প্রতি আবার ভারতের শেয়ার বাজার কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছিল ৷ কিন্তু শুক্রবার ফের ধস নামল সেনসেক্স নিফটিতে৷

শেয়ার বিশেষজ্ঞদের মতে, এদিনে সূচকের পতনের জন্য করোনাভাইরাসের আতঙ্কের পাশাপাশি কারণ হল ইয়েস ব্যাংকের সংকট৷ বৃহস্পতিবার এই ব্যাংকের মোরাটোরিয়াম ঘোষণা হয় ৷ ৫০,০০০ টাকার বেশি তোলা যাবে না ‘ইয়েস ব্যাংক’ থেকে বলে বৃহস্পতিবারই নির্দেশিকা জারি করে রিজার্ভ ব্যাংক। ইয়েস ব্যাংকের পরিচালন পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হয় এবং প্রশাসক পদে বসানো হয় স্টেট ব্যাংকে প্রাক্তন সিএফও প্রশান্ত কুমারকে।

এদিকে আবার , শুক্রবার রাতে ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট ইয়েস ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা রানা কাপুরের ওরলির বাড়িয়ে হানা দেয় ৷ ইডি অফিসার সূত্রে খবর রানা কাপুরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ডিএইচএফএল সংস্থাকে এই ব্যাংকের ঋণ দেওয়ার ব্যাপারে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।