মুম্বই: ভারতের শেয়ার বাজারে প্রায় তিন শতাংশ পতন দেখা গেল বৃহস্পতিবারে। স্টিমুলাস প্যাকেজের ব্যাখ্যা যেন শেয়ারবাজারের সেন্টিমেন্টকে হতাশ করেছে। অন্যদিকে ইউএস ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরম পাওয়েল সতর্ক করেছেন করোনা ভাইরাস অতি মহামারির কারণে আর্থিক পরিস্থিতি দুর্বল থাকবে। তারই জেরে বিশ্ববাজার দুর্বল থাকায় তার প্রভাব পড়েছে এ দেশের শেয়ারবাজারে।

বৃহস্পতিবার এদেশে শেয়ারবাজারের সেন্টিমেন্ট দুর্বল থাকতে দেখা গেল অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন‌‌ বুধবারের স্টিমুলাস প্যাকেজের ব্যাখ্যা দেওয়ার পরেও। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বেশ কিছু ঘোষণা করেন, ক্ষুদ্র ছোট মাঝারি উদ্যোগে, এনবিএফসি, রিয়েল এস্টেট সেক্টর, বিদ্যুৎ কেন্দ্র ইত্যাদির জন্য। কিন্তু তাতেও শেয়ার বাজারের সেন্টিমেন্ট ইতিবাচক হয়নি।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, বাজারে লগ্নিকারীরা আশা করেছিলেন নতুন নগদ ঢুকবে বাইরে থেকে ঋণ নিয়ে, সঞ্চিত বিদেশি মুদ্রাকে কাজে লাগিয়ে অথবা রিজার্ভ ব্যাংকের ব্যালেন্স শীটের মাধ্যমে। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে এমন কোনো ইঙ্গিত মেলেনি। এদিন সকাল থেকেই শেয়ার বিক্রির একটা প্রবনতা ছিল। দিনের শেষে সেনসেক্স গতদিনের তুলনায় ৮৮৬ পয়েন্ট বা ২.৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩১,১২৩ পয়েন্টে।

একই রকমভাবে নিফটি দিনের শেষে ২৪১ পয়েন্ট বা ২.৫৭ শতাংশ নেমে অবস্থান করছে ৯১৪৩ পয়েন্টে। বাজারে সূচকের ওঠানামা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। এদিন একসময় সেনসেক্স ৯৫৬ পয়েন্ট বা ৩ শতাংশ এবং নিফটি ২৬৪ পয়েন্ট বা ২.৮ শতাংশ নেমে গিয়েছিল। সেক্টর ভিত্তিক দেখা গিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা শেয়ারে বড় ধাক্কা খেয়েছে। ‌ তথ্যপ্রযুক্তির সূচক ৩.৫ শতাংশ নেমে গিয়েছে।

পাশাপাশি ব্যাংকের শেয়ারও বড় ধাক্কা খেয়েছে সেখানে তিন শতাংশ নামতে দেখা গিয়েছে। অন্যদিকে বিশ্বের শেয়ারবাজারেও অবস্থাটা ভালো নয়, টানা তিন দিন ধরে শেয়ারবজারের পতন দেখা যাচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) আশঙ্কা প্রকাশ করেছে, করোনা ভাইরাস সম্ভবত নির্মূল হবে না। আর তার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে বলে মনে করা হচ্ছে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প