মুম্বই : রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস শনিবার জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংক চাইছে নিয়ন্ত্রণের কাঠামোটাকে খামচে ধরে ব্যাংক এবং এনবিএফসি উপর নজরদারি আরো জোরদার করতে। এই পরিকল্পনা নিয়ে ভাবনাচিন্তা রয়েছে এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সে ব্যাপারে ঘোষণা হবে বলে তিনি জানান।

রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর জানিয়েছেন, রিজার্ভ ব্যাংকের সব সময় নজর থাকবে নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিষয়টিকে শক্তিশালী করা এবং আর্থিক সংস্থাগুলিকে দেখভালের জন্য আরও গভীরে যাওয়া। ব্যাংকের ঝুঁকি ম্যানেজমেন্ট কাঠামোয় কিছু অবিচ্ছেদ্য অঙ্গের মধ্যে রয়েছে ঠিকমতো আগেভাগে সতর্ক করার ব্যবস্থা এবং কাঠামো কতটা শক্তিশালী তা দেখে নেওয়া। ব্যাংক এবং এনবিএফসির আগে থেকেই ঝুঁকির দিকটা চিহ্নিতকরণ করে নেওয়া প্রয়োজন, তাদের উপর কাছ থেকে নজরদারি চালান এবং দক্ষ ভাবে তাদের ম্যানেজ করা।

শনিবার তিনি ননী পালকি ওয়ালা মেমোরিয়াল লেকচার-এ ভাষণ দিচ্ছিলেন। সেখানে তিনি বলেন, ব্যাংক এবং এনবিএফসিতে ঝুঁকি ম্যানেজমেন্টের কাজকর্মে বিবর্তন আনা উচিত যেহেতু সময় ও প্রযুক্তির বিস্তার ঘটছে এবং তা আন্তর্জাতিক শ্রেষ্ঠ পদ্ধতির মতো হওয়া উচিত। এটা করা দরকার বোর্ড এবং সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট দ্বারা চালিত হয়ে এবং সব স্তরে যেন দায়বদ্ধতা থাকে।

এনবিএফসি নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি আলোচনা পত্র প্রায় প্রস্তুত এবং পরের সপ্তায় সেটি ইস্যু হতে পারে। যাতে সুপারিশ করা আছে এনবিএফসি গুলিকে নিয়ন্ত্রণের বিষয়। রিজার্ভ ব্যাংক পরামর্শ দিচ্ছে সব ব্যাংক, বড় আমানত না নেওয়া এনবিএফসি এবং সব রকম আমানত নেওয়া এনবিএফসি তারা যেন করোনার প্রভাব তাদের অবস্থা মূল্যায়ন করে, ব্যালেন্স শিট , সম্পত্তির গুণগত মান, মুনাফা এবং মূলধনের পর্যাপ্ততা ইত্যাদি। এর মাধ্যমে হিসেব কষে পরিকল্পনা করে নিতে হবে মূলধন কতটা কি লাগবে নগদ কতটা কি লাগবে ।

শক্তিকান্ত দাস প্রসঙ্গ তোলেন আর্থিক ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা রক্ষা করার জন্য কি ধরনের দায়বদ্ধতা দরকার। ব্যাংকের সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রধানত ব্যাংকের সমন্বয় এবং গুণগত মানের কথা বলেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।