স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আল কায়েদা ঘনিষ্ঠ আনসারুল্লা বাংলা টিমের জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ইউএপিএ ধারা যোগ করতে চলেছে এসটিএফ৷ এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে তারা৷ তাদের মধ্যে এবিটির তিনজন জঙ্গি রয়েছে৷ এছাড়া আরও দু’জন ধরা পড়েছে৷ তাদের মধ্যে একজন মনতোষ দে৷ প্রাথমিকভাবে তাকে অস্ত্রপাচারকারী বলে মনে করছে এসটিএফ৷ এছাড়া সীমান্তে পাচারকারী একজনকে গ্রেফতার করেছে তারা৷ এই দু’জনের বিরুদ্ধেও ইউএপিএ ধারা যোগ করা হচ্ছে বলে এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে৷

বুধবার এসটিএফ কলকাতার ব্যাংকশাল কোর্টে উমর ফারুক ওরফে মাহিকে পেশ করে৷ তাকে আগামী ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত হেফাজতে পেয়েছে এসটিএফ৷ একই সঙ্গে এই মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইউএপিএ ধারা যোগ করার আবেদন করা হয় এসটিএফের তরফে৷ বিচারক সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন৷

আরও পড়ুন: কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার পরিচয় দিয়ে হায়দরাবাদে লুকিয়েছিল এবিটি জঙ্গি

এসটিএফ সূত্রে খবর, ধৃতদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতা-সহ একাধিক ধারা যোগ করা হয়েছে৷ নিয়ম মেনে মামলার তদন্তকারী অফিসারকেও বদল করা হয়েছে৷ এখন থেকে ওই মামলার দায়িত্বভার দেওয়া হয়েছে এসিপি পদমর্যাদার এক অফিসারের হাতে৷

এই মামলায় যে তিনজন জঙ্গি এখনও পর্যন্ত ধরা পড়েছে, তাদের প্রত্যেককেই বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকতে সাহায্য করেছিল শেখ শাহদত৷ সেও এখন এসটিএফের হেফাজতে রয়েছে৷ এসটিএফ সূত্রে খবর, এদেশে এসে সোজা হায়দরাবাদ চলে যায় তারা৷ সেখান থেকে পাটনায় আসে৷ পাটনা থেকে যায় রাঁচি৷ সেখান থেকে কলকাতায় আসে৷ কলকাতায় তারা একটি হোটেলে ছিল৷ সেখান থেকেই দু’জন অস্ত্র কিনতে যায়৷ ওই দু’জনের গ্রেফতারির খবর পেয়েই পালিয়েছিল৷

আরও পড়ুন: সীমান্ত পারাপারে শাহদতের ‘নেতা’কে খুঁজছে এসটিএফ

এই ঘটনায় আরও দু’জন জঙ্গি রয়েছে এসটিএফের তালিকায়৷ যাদের ছবি ইতিমধ্যে প্রকাশ করেছে এসটিএফ৷ এখন তাদের সন্ধান চলছে বলে এসটিএফ সূত্রে খবর৷