জয়পুর: শনির বিকেলে পৌঁছে গিয়েছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। রবিবাসরীয় সকালে আইপিএল খেলতে ভারতের মাটিতে পা রাখলেন স্যান্ডপেপার গেট কান্ডে নির্বাসিত প্রাক্তন অজি অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের ঢাকে কাঠি পড়ার দিনছয়েক আগেই রয়্যালস ফ্যামিলিতে যোগদান করলেন স্মিথ।

জয়পুরের মাটিতে পা দেওয়ার আগে ওয়ার্নারের সঙ্গে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দুবাইতে দলীয় মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেন স্মিথ। আগামী ২৯ মার্চ নির্বাসন কাটিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরছেন এই দুই অজি ক্রিকেটার। তার আগে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রাক্কালে দুবাইয়ে দলীয় মিটিংয়ে এই দুই হেভিওয়েটকে স্বাগত জানান সতীর্থরা।

এরপরই ভারতে আসার বিমান ধরেন স্মিথ এবং ওয়ার্নার। শনিবার সন্ধেয় ওয়ার্নার হায়দরাবাদ ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে যোগদান করলেও স্মিথের বিমান জয়পুরের মাটি ছোঁয় রবিবার সকালে। দক্ষিণ আফ্রিকায় বল বিকৃতি কান্ডে অভিযুক্ত থাকায় গতবছর এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের দরজাও বন্ধ হয়ে যায় এই দুই ক্রিকেটারের জন্য। তবে চলতি বছর সাসপেনশন ওঠার দিন কয়েক আগেই শুরু হতে চলা আইপিএলে অংশগ্রহণ করার বিষয়ে কোনও বাধা নেই অস্ট্রেলিয়া দলে প্রাক্তন অধিনায়ক এবং তার ডেপুটির।

জয়পুরে পৌঁছেই এক অফিসিয়াল ভিডিওবার্তায় অনুরাগীদের আশ্বস্ত করলেন স্মিথ। জানালেন, ‘জয়পুরে রয়্যালস পরিবারে যোগ দিয়ে দুর্দান্ত অনুভূতি হচ্ছে। আইপিএল শুরু হওয়ার অপেক্ষা সইছে না।’ এদিকে রয়্যালসদের প্রাক্তন কোচ অধুনা ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর শেন ওয়ার্নের মতে স্মিথের ক্ষুধার্ত মনোভাব মরশুমে রাজস্থান রয়্যালসের সহায়ক হয়ে উঠবে।

অস্ট্রেলিয়া দল বিশ্বকাপের আগে চূড়ান্ত মহড়া সারবে আরব আমিরশাহির মাটিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। পাঁচ ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজের প্রথম ম্যাচটি শারজায় আগামী ২২ মার্চ। উল্লেখ্য, আগামী ২৯ মার্চ নির্বাসনমুক্ত হতে চলেছেন এই দুই অজি তারকা। কিন্তু নির্বাসনমুক্ত হওয়ার পর পাকিস্তান সিরিজের শেষ দু’টি ম্যাচের জন্য দুই ক্রিকেটারকে দলে রাখেনি অস্ট্রেলিয়া থিঙ্ক-ট্যাঙ্ক।

কিন্তু পাকিস্তান সিরিজে না থাকলেও বিশ্বকাপে এই দুই ক্রিকেটারকে রেখেই ঘুঁটি সাজাচ্ছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। আর সেই কথা মাথায় রেখেই পাকিস্তান সিরিজ শুরুর আগে দুবাইতে এই দুই ক্রিকেটারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া টিম ম্যানেজমেন্ট। পাশাপাশি পাকিস্তান সিরিজ খেলা না হলেও বাংলাদেশ প্রিমিয়র লিগে পাওয়া কনুইয়ের চোট সারিয়ে প্রস্তুত স্মিথ-ওয়ার্নার। আর বিশ্বকাপের ‘স্টেপিং স্টোন’ হিসেবে যে আইপিএল-কেই দেখছেন এই দুই ক্রিকেটার, তা একপ্রকার নিশ্চিত।