নয়াদিল্লি: নীরব মোদীর পর বিদেশের মাটিতে ধরা পড়ল আরও এক ব্যংক ঋণ খেলাপি৷ আলবেনি থেকে আটক হিতেশ প্যাটেল৷ স্টারলিং বায়োটেক কেলেঙ্কারি মামলায় অভিযুক্ত হিতেল প্যাটেল৷ ইন্টারপোলে ইডির অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়৷

আরও পড়ুন: রহস্যময় ডায়েরিতে বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে ১৮০০ কোটি ঘোটালার অভিযোগ

গত বুধবার আলবেনিয়ার তিরানাতে আটক করা হয় হিতেশকে৷ পরে নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় ওই ঋণ খেলাপিকে৷ ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, স্টারলিং বায়োটেক মামলায় হিতেশকে আটক করা হলেও মূল অভিযুক্ত তার দুই শালা নীতিন ও চেতন সান্দেসারা৷ ধৃত হিতেশ প্যাটেলকে দ্রুত ভারতে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে৷

আরও পড়ুন: অ্যামাজনে আইফোনে মিলছে ১৭ হাজার টাকা অবধি ছাড়

জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ১১ই মার্চ ইন্টারপোল রেড কর্নার নোটিশ জারি করেছিল হিতেশ প্যাটেলের বিরুদ্ধে৷ ৮হাজার ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে স্টারলিং বায়োটেকের বিরুদ্ধে৷ গত মঙ্গলবারই দিল্লি আদালত ওই গোষ্ঠীর দুই ডিরেক্টর সান্দেসারা ভাইদের প্রত্যর্পণের আবেদন আলবেনিয়াতে পাঠানোর আবেদনে সিলমোহর দেয়৷

আরও পড়ুন:  পাকিস্তানকে ২০০ কোটি ডলার দিয়ে সাহায্য চিনের

ইডি আদালতে জানিয়েছে, নীতিন ও চেতন সান্দেসারার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই তারা আপ্রিকার দেশ আলবেনিয়াতে গা ঢাকা দিয়েছে৷ পরে সেখানকার নাগরিকত্ত্বও জোড়াগ করে ফেলে৷ তাদের বিরুদ্ধে এবছরের শুরুর দিকে জারি হয় জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা৷ এই দুজন ছাড়াও স্টারলিং বায়োটেকের বাকি দুই ডিরেক্টর হলেন দীপ্তি সান্দেসারা ও হিতেশ প্যাটেল৷ তাদের বিরুদ্ধেও জারি হয় জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা৷ যার ভিত্তিতে এই আটক বলে খবর৷

আরও পড়ুন: বিয়ে করতে চলেছেন শ্রদ্ধা, জেনে নিন পাত্রকে

২০১৭ সালে প্রিভেনশন ওফ মানি লনন্ডারিং আইনের ভিত্তিকে ইডি স্টারলিং বায়োটেকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে৷ ইডির মামলার ভিত্তিতে ওই সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ও আয়কর বিভাগও৷

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।