জাকার্তা: আপনি কখন বিয়ে করার উপযুক্ত হবেন? আপনার বয়স উপযুক্ত হলে হলে অথবা আপনি মন থেকে বিয়ের জন্যে প্রস্তুত থাকলে। কিন্তু যদি বলা হয় যে এইসব কিছুর জায়গায় শুধু একটি অগ্নিপরীক্ষা দিতে হবে আপনাকে তাহলে? কারণ এটাই প্রমাণ করবে যে আপনি বিবাহের জন্যে যোগ্য কিনা। শুনে অবাক লাগছে? এই রীতিই একটি জায়গায় বিয়ের মূল বিষয়। কোনো আইন নেই। রয়েছে শুধু একটি প্রথা। আপনার সাবালকত্বের প্রমাণ হবে এটাই। এমন রীতিই রয়েছে ইন্দোনেশিয়ায়।

এক আদিবাসী সম্প্রদায়ের বিয়ের বিশেষ নিয়ম এটি। তারা বাস করে নিয়াস দ্বীপে। গোষ্ঠীটির নামও নিয়াস। গবেষকদের দাবি যে এই গোষ্ঠী এই এলাকায় ৭০০ বছর ধরে রয়েছে। আবার কেউ কেউ বলেন যে যীশুর জন্মের আগে থেকেই তাদের বাস সেখানে।

বিয়ের এই প্রথার নাম ফাহোমবো। একমাত্র পুরুষদের জন্যেই হয় এই পরীক্ষা। কম বয়সের ও অবিবাহিত পুরুষেরা বিয়ের জন্যে একটি উচু পাথর লাফিয়ে পেরোয়। সেটি আবার ৬ ফুট উঁচু। যারা একলাফে তা পেরোতে পারবে তারাই বিবাহের জন্য যোগ্য বলে প্রমাণ করবে নিজেদের। সেই সমাজে প্রেম নিয়ে সমস্যা না থাকলেও বিয়ের আগে এটা মানতেই হয় তাদের। আর সেই প্রেমিক যদি সাবালকত্বের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হয় তো ভালবাসা থাকলেও সেই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে পারে না তারা। তবে একটি পুরুষ যে একবারে সফল হয়নি সে একাধিকবার এই পরীক্ষায় নামতে পারে।

আরো পোস্ট- কোন দেবতা কোন ফুলে তুষ্ট…জানুন সৌভাগ্যের চাবিকাঠি

আবার এই পাথর ঠিকমতো টপকাতে যাতে পারে তাই নিজেদের ছেলেদের জন্যে প্রশিক্ষক রাখেন বাবা-মায়েরা। ১৮ থেকে ২০ বছরের ছেলেদের সংখ্যাই থাকে বেশি। একটি পাথরের স্তম্ভ তৈরি করা হয়। সেই স্তম্ভে ওঠার আগে যেখানে ছেলেরা ভর দেয় পায়ে সেখানে ছোট পাথর রাখা থাকে। লাফ দেওয়ার পর তারা বালি ভর্তি এক জায়গায় গিয়ে পড়ে। লাফ দিতে হয় একেবারে যোদ্ধার ভঙ্গিমায়। এতে আসলে সেই পুরুষদের শারীরিক ক্ষমতার পরীক্ষা হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।