তেহরান: মানব দেহে টিকা দেওয়ার মাধ্যমে প্রতিষেধক পরীক্ষার কাজ এগিয়ে চলেছে ইরানে। ধাপে ধাপে স্বেচ্ছাসেবীদের দেহে করোনার এই প্রতিষেধক প্রয়োগ করার কাজ চলছে ।

রবিবার নতুন করে তিন জন স্বেচ্ছাসেবীর দেহে এই টিকা প্রয়োগ করা হয়েছে। সোমবার আরও চারজন এই টিকা নেবেন। ‘কোভ ইরান বারাকাত’ নামক এই টিকার মানব ট্রায়ালের অংশ হিসেবে প্রথম পর্যায়ে ৫৬ জনের দেহে তা প্রয়োগ করা হবে। আর তা করা হবে ধাপে ধাপে। টিকা তৈরির সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসা বিজ্ঞানী ডা. মিনু মুহরেয জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে যারা টিকা নিয়েছেন তারা ভালোই আছেন।

তিনি জানিয়েছেন, এর আগে যে দুটি গ্রুপ টিকা নিয়েছে তাদের শরীরে তেমন কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়নি। আপাতত তাদেরকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। প্রতিদিনই তাদের শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন রেকর্ড করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে টিকার পরীক্ষা চালানো হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন তিনি।

গত ২৯ ডিসেম্বর সকালে একজন নারী স্বেচ্ছাসেবীর দেহে প্রয়োগের মাধ্যমে ইরানের তৈরি টিকার মানব ট্রায়াল শুরু করা হয়েছিল।ইমাম খোমেনির নির্দেশ বাস্তবায়নকারী সংস্থার গবেষক দল এই টিকা তৈরি করেছে। ওই সংস্থার মুখপাত্র হুজ্জাত নিক মালাকি জানিয়েছেন, আশা করা হচ্ছে এই টিকার কার্যকারিতা ৯০ শতাংশের উপরে বলে প্রমাণিত হবে। তবে টিকার হিউম্যান ট্রায়াল শেষ হওয়ার পরই কেবল চূড়ান্ত কথা বলা যাবে।

তিনি বলেন, এ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন শ্রেণির-পেশার ৬৫ হাজার মানুষ স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে করোনার টিকার মানব ট্রায়ালে অংশ নেওয়ার জন্য ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ৫৬ জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে।ইরানে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই টিকা তৈরির জন্য গবেষণা শুরু করে দেশটির গবেষক ও বিজ্ঞানীরা। ইরানে তিনটি টিকা নিয়ে কাজ চলছে বলে জানা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.