নয়াদিল্লি: জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া এবং আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় কাণ্ড নিয়ে এবার মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ক্যাম্পাসের ভিতরে পড়ুয়াদের হিংসা না ছড়ানো এবং শান্তি বজায় রাখার অনুরোধ জানাল কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী। সোমবার জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের উদ্দেশ্যে একটি বিবৃতি দিয়ে এই কথা জানান মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল।

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে উত্তাল গোটা দেশ। এই আইনের প্রতিবাদে গোটা দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস গুলিতে শুরু হয়েছে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। এবার এই ইস্যুতে পড়ুয়াদের কাছে, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস গুলিকে প্রতিবাদের প্রধান পটভূমি হিসেবে ব্যবহার না করার আবেদন জানান তিনি। সেই সঙ্গে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া এবং আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদী পড়ুয়াদের উপর হামলার বিষয়টি উল্লেখ করে যথাযথ পুলিশি তদন্তেরও আবেদন জানান তিনি।

এদিনের বিবৃতিতে তিনি জানান, ” সকল পড়ুয়াদের কাছে আমার আবেদন, হিংসা থেকে দূরে থাকুন। ক্যাম্পাসের ভিতরে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখুন। দয়া করে কোনও গুজবে কান দেবেন না এবং গুজব ছড়াবেন না। এখন আমাদের উচিত শান্তি, সম্প্রীতি এবং ভ্রাতৃত্ব বোধের প্রচার করা। আমাদের এমন কোনও কাজে যুক্ত হওয়া উচিত নয়, যেখানে জাতির স্বার্থে আঘাত লাগবে।”

প্রসঙ্গত, রবিবার সন্ধ্যের জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সংশোধনী আইনের প্রতিবাদ মিছিল ক্রমশই সহিংস হয়ে উঠে। সেই সময় পুলিশের এলে তাঁদের সঙ্গেও সংঘর্ষ বাধে বিক্ষোভকারিদের। বিক্ষোভ চলাকালীন সময়েই প্রায় শতাধিক ছাত্র জড়ো হয় দিল্লি পুলিশের সদর দফতরের সামনে। রাস্তা আটকে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে পড়ুয়ারা। বিক্ষোভ হটাতে রবিবার রাতেই বেশ কিছু পড়ুয়াকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। অবশেষে ভোরবেলার দিকে বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হলে আটক পড়ুয়াদের ছেঁড়ে দেয় পুলিশ।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ