কলকাতা: ক্রেতাদের সুরাহার কথা চিন্তা করে ২৫ টাকা কিলো দরে আলু বিক্রির ব্যবস্থা বহাল রাখতে চায় রাজ্য সরকার। এর জন্য ‘সুফল বাংলা’ সহ অন্যান্য সরকারি স্টলের সংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। উদ্দেশ্য হল যাতে সাধারণ মানুষ রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে সুলভে আলু কিনতে পারে।

বাজারে আলুর মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কেন্দ্রকে চিঠি দেওয়া হলেও এখনও তার কোনও জবাব মেলেনি। তবে কোভিড পরিস্থিতির আগে সরকারি উদ্যোগে ১০ লক্ষ টন আলু মজুত করা হয়েছিল। তারই কিছু সুফল এ রাজ্যে আপাতত এখন মিলছে ।

সম্প্রতি কেন্দ্র অত্যাবশ্যক পণ্য আইনে সংশোধনী আনায় বাজারের নিয়ন্ত্রণ আলগা হয়েছে। এরফলে চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, গম, ভোজ্যতেল, তৈলবীজ যত খুশি মজুত করা যাবে। ইচ্ছে থাকলেও বাজারে রাশ টানার ক্ষেত্রে কিছু করার থাকছে না রাজ্যগুলির। আর তাতেই মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে আলু-পেঁয়াজ ইত্যাদি। যার বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ চেয়ে
চিঠিও দিয়েছিলেন।

এদিকে, বাজারে ক্রমশ আলুর দর সাধারণের ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে। বিভিন্ন বাজারে আলুর দর ৪০-৪৫ টাকা প্রতি কেজি হয়েছে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ২৫ টাকা কিলো দরে আলু বিক্রির প্রক্রিয়া চালু করা হয়। এভাবে রাজ্য সরকার ক্রেতাদেরকে সুরাহা দিতে চাইছে। রাজ্যে এই মুহূর্তে রয়েছে সুফল বাংলার স্টল ৬৩০টি স্টল। চাহিদা মেটাতে আরও কয়েকটি স্টল খোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।