কলকাতা: রাজ্যের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে হাইকোর্টের রিপোর্ট জমা দিল রাজ্য সরকার। ডেঙ্গু নিরাময়ে রাজ্য ঠিক কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে তাও আদালতে দেওয়া রিপোর্টে জানিয়েছে রাজ্য সরকার৷ তবে এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গুতে রাজ্যে ঠিক কত মানুষের মৃত্যু হয়েছে বা এখনও পর্যন্ত ঠিক কতজন ডেঙ্গু আক্রান্ত রিপোর্টে তার উল্লেখ নেই৷ হাইকোর্টে ডেঙ্গু নিয়ে রিপোর্ট পেশ করে রাজ্য জানিয়েছে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৪৫০ কোটি টাকা খরচ করেছে সরকার।ডেঙ্গু নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার একাধিক সচেতনামূলক পদক্ষেপও করেছে৷

ডেঙ্গি রোধে রাজ্যের নেওয়া পদক্ষেপগুলির মধ্যে অন্যতম গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ২৫ জন করে ভিআরপি নিয়োগ৷ ভিআরপিদের কাজ, বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমীক্ষা চালিয়ে জ্বরে আক্রান্তদের হিসেব নেওয়া৷ একইসঙ্গে ভিআরপিরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে মশা নিধনে প্রয়োজনীয় কী কী পদক্ষেপ করা যেতে পারে সে সম্পর্কেও মানুষকে সজাগ করছেন৷ রাজ্যজুড়ে ৫০,১৩০ জন ভিআরপি নিয়োগ করা হয়েছে বলে রিপোর্টে জানিয়েছে রাজ্য সরকার৷ ডেঙ্গু প্রতিরোধকল্পে গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ৩০০০ মেডিক্যাল অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে৷ ৫০০০ নার্সিং স্টাফ ও ১ হাজার মেডিক্যাল স্টাফ ডেঙ্গু প্রতিরোধে কাজ করছেন৷

ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিযুক্ত মেডিক্যাল অফিসারদের মূল কাজ হল সরকারি হাসপাতাল এবং বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু সংক্রান্ত বিষয় খতিয়ে দেখা। ডেঙ্গু নিয়ে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে রাজ্য সরকার৷বিগত বছরের হিসেব অনুযায়ী ৭৯১ গ্রাম পঞ্চায়েত এবং বেশ কয়েকটি পুরসভার ওয়ার্ড ধরে ধরে চিহ্নিত করা হয়েছে৷

এ বছর প্রতিটি বাড়ি ধরে ধরে মে মাস থেকে একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে৷ ডেঙ্গির লার্ভা খেয়ে নেয় গাপ্পী মাছ৷ রাজ্যজুড়ে ৩ কোটি ২০ লক্ষ গাপ্পী মাছ ছাড়া হয়েছে৷ রাজ্যের সমস্ত পুরসভার এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে চলছেসচেতনতামূলক শিবির৷ স্কুলের ছাত্রছাত্রীরাও ডেঙ্গু নিয়ে সচেতনতামূলক প্রচারে অংশ নিয়েছে৷ আশাকর্মীদেরও ডেঙ্গু নিয়ে প্রচারের কাজে লাগানো হয়েছে৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও