স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: যদি কোনও গ্রাহক অতিরিক্ত বিল জমা দিতে না পারেন, তাহলে তাঁর বিদ্যুতের লাইন কাটতে পারবে না। সিইএসসি-কে কড়া বার্তা দিল রাজ্য সরকার।

লক ডাউন পরবর্তী সময়ে অস্বাভাবিক বিল নিয়ে অনেক অভিযোগ আসছে। গ্রাহকদের হয়রানি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। বাড়তি বিদ্যুতের বিল নিয়ে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষোভ জানাতে শুরু করেছেন গ্রাহকরা। তাঁরা বিলের অঙ্ক জানিয়ে প্রতিকার চেয়েছেন। এমনকি খোদ বিদ্যুৎমন্ত্রীর এমাসে চার গুন বেশি বিল এসেছে।

এই পরিস্থিতিতে শুক্রবারই সিইএসসি-র দুই কর্তার সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। কেন বেশি বিদ্যুতের বিল এসেছে, তার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন তাঁরা। কিন্তু তাতে সন্তুষ্ট নয় রাজ্য সরকার।

সূত্রের খবর, সিইএসসি’কে অ্যাডভাইজরি পাঠাতে চলেছে রাজ্য সরকার। তাতে বলা হবে, আগামী এক মাসের মধ্যে বিলের ভুল ত্রুটি ঠিক করতে হবে। ওই সময়ের মধ্যে কোনও গ্রাহকের ক্ষেত্রে বিল বাবদ টাকা নেওয়া যাবে না। এছাড়া, যদি কোনও গ্রাহক অতিরিক্ত বিল জমা দিতে না পারেন, তাহলে তাঁর বিদ্যুতের লাইন কাটতে পারবে না।

সিইএসসি কর্তৃপক্ষের সাফাই, লকডাউনের সময় প্রভিশনাল বিল তৈরি হয়েছিল আগের ছ’মাসের গড় বিলের হিসেবে। মিটার রিডিংয়ের পরে পুরো বিদ্যুৎ খরচ আসছে। তাই টাকাটা বেশি। তবে একই সঙ্গে বৃহস্পতিবার জুলাইয়ের বিল মেটানোর সময় ১০ দিন বাড়িয়েছে তারা। তারা জানিয়েছে, চাইলে গ্রাহক তিন কিস্তিতেও টাকা দিতে পারবেন। অনেকের প্রশ্ন, বিলের হিসেব নিয়েই যেখানে বিভ্রান্তি, সেখানে কিস্তি কেন?

বিদ্যুতের বিল বিভ্রাটে জেরবার টলিউডও। অঙ্কুশের পর মাথায় হাত এবার কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়েরও। তিনি নিজেই সেই বিলের ছবি টুইট করেছেন।

নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে টলিউডের এই পরিচালক লিখেছেন, ‘আমরা তিনজন। অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন আমাদের। বিশেষ করে এরম অনিশ্চিত সময়ে আরো খরচ সামলে চলেছি সবাই। খুব গরম দুপুর একটি ও রাতে শোবার সময় দুটি এসি চলে। কোনোদিন একসঙ্গে তিনটি এসি চলে না আমাদের বাড়িতে। সবই এলইডি আলো! তাও বারবার এরম বিল! বিকল্প নেই! অসহায়! আগের বিল ছিল ১৬ হাজার’! সেই সঙ্গে ১৯,৯০০ টাকার বিলের ছবিটিও পোস্ট করেছেন তিনি।

ট্যুইটারে জুলাই মাসের ইলেকট্রিক বিলের ছবি দিয়ে অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরাও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি জানতে চেয়েছেন, যেখানে প্রতি মাসে তাঁর গড় বিল ৪০০০ টাকা আসে সেখানে কীভাবে একলাফে তা ২১০০০ হয়ে গেল

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।