ফাইল ছবি

কলকাতা: প্রতিবাদী নীলাঞ্জনার সমস্ত চিকিৎসার খরচ বহন করবে রাজ্য সরকার৷ শুধু তাই নয়,সাহসিকতার জন্য নীলাঞ্জনাকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এছাড়া তার প্রশংসা করেছেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা৷

প্রসঙ্গত,আনন্দপুরকাণ্ডে নির্যাতিতা মহিলাকে বাঁচাতে গিয়েই গুরুতর জখম হন নীলাঞ্জনা চট্টোপাধ্যায়৷ গতকাল সোমবার তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে৷ তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছিলেন চিকিৎসকরা৷ আজ মঙ্গলবার নীলাঞ্জনার স্ক্যান ও এক্সরে হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর৷

এদিকে আনন্দপুরকাণ্ডে এখনও অধরা অভিযুক্ত৷ তবে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তের গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ৷ অন্যদিকে আক্রান্ত প্রতিবাদী মহিলা নীলাঞ্জনার পায়ের সফল অস্ত্রোপচার হয়েছে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে৷

সূত্রের খবর, আনন্দপুরকাণ্ডে অভিযুক্ত যুবককে চিহ্নিত করেছে পুলিশ৷ সে পূর্ব যাদবপুরের বাসিন্দা৷ নাম অভিষেক পাণ্ডে৷ অভিযুক্ত অভিষেকের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ৷ অভিযুক্ত অভিষেকের মা সংবাদমাধ্যমের কাছে দাবি করেছেন,‘ওই তরুণীর সঙ্গে ৫ বছরের সম্পর্ক ছিল অভিষেকের৷

লকডাউনের জন্য বিয়ে পিছিয়ে যায়৷ ভাইফোঁটার পরেই বিয়ে হতো।’ পুলিশ সূত্রে খবর,নির্যাতিতা তরুণীর বয়ানে মিলেছে বিস্তর অসঙ্গতি৷ সূত্রের খবর, অভিযুক্ত অভিষেক এক সময়ে তার সহকর্মী ছিলেন৷ কিন্তু পুলিশের কাছে এই দীর্ঘ পরিচয়ের কথা গোপন করেছেন তিনি৷

এছাড়া অভিযুক্ত যুবকের নামও ভুল বলেছেন৷ তবে প্রতিবাদী নীলাঞ্জনার পরিবারের তরফে আনন্দপুর থানায় FIR করা হয়েছে অভিষেকের বিরুদ্ধে৷

উল্লেখ্য, শনিবার রাত ৮টা নাগাদ নয়াবাদের ফ্ল্য়াটের সামনে থেকে হন্ডাসিটি করে আনন্দপুরের নির্যাতিতাকে ঘুরতে নিয়ে যায় অভিষেক পাণ্ডে নামে ওই অভিযুক্ত। প্রথমে পাঁটুলির একটি রেস্তোরাঁয় যান তাঁরা। সেখানে খাওয়া-দাওয়া সেরে বাইপাসের আশপাশে ঘোরাঘুরি করেন কিছুক্ষণ।

তারপর অজয়নগর, গড়িয়া, কালিকাপুর হয়ে আনন্দনগর। তরুণী পুলিশকে জানিয়েছেন, অভিযুক্তকে নয়াবাদে বাড়িতে ছাড়ার জন্য বললে চৌবাঘার দিকে গাড়ি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে অভিষেক। বাধা দিতে গেলে চলন্ত গাড়িতেই মারধর করা হয় তরুণীকে৷ এরপর গাড়ি থেকে তাকে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়৷

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।