স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর ও মালদহ: ‘সম্প্রীতি উৎসব’৷ রাজ্য সরকারের উন্নয়নের বার্তা পৌঁছতে এমনই উৎসবের আয়োজন করল রাজ্য সরকারের তথ্য সংষ্কৃতি দফতর৷ উত্তর ২৪ পরগণা জেলার নৈহাটির ঐক্যতান মঞ্চে অনুষ্ঠিত হল ‘একতাই সম্প্রীতি’ উৎসব।

শুক্রবার সন্ধ্যায় এই মনোজ্ঞ উৎসবের উদ্বোধন করেন রাজ্য বিধানসভার মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষ, মহকুমা শাসক আবুল কালাম আজাদ ইসলাম, ব্যারাকপুর পৌরসভার পৌরপ্রধান উত্তম দাস, নৈহাটি পৌরসভার পৌরপ্রধান অশোক চট্টোপাধ্যায় সহ বিশিষ্ট অতিথিরা৷ ঐক্য ও সম্প্রীতি রক্ষার্থে শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া ‘একতাই সম্প্রীতি’ এই উৎসব তিনদিন ব্যপী রবিবার পর্যন্ত চলবে৷

বারাকপুর মহকুমার তথ্য সংস্কৃতি আধিকারিক পল্লব পাল জানান, একতাই সম্প্রীতি এই উৎসবটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই উৎসবের মাধ্যমে বাংলার উন্নয়নমূলক জনমুখী প্রকল্প গুলিকে সাধারন মানু্ষের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। বাংলার ঐতিহ্য, সংষ্কৃতি এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা দেওয়া হচ্ছে এই উৎসবের মাধ্যমে।

এদিনের এই উৎসবের উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে রাজ্য সরকারের তথ্য সংস্কৃতি দপ্তর দ্বারা আয়োজিত বিশ্ববাংলা শারদ সম্মান উত্তর ২৪ পরগনা জেলার দশটি সেরা পুজো কমিটিকে আগেই বেছে নেওয়া হয়েছিল । শুক্রবার সেই পুজো কমিটির উদ্যোক্তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন উৎসবে উপস্থিত বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ৷

শুধু উত্তর ২৪ পরগণাই নয়, মালদহ জেলাতেও অনুষ্ঠিত হয় ‘একতাই সম্প্রীতি’ উৎসব৷ মালদহ জেলার বুলবুলচন্ডী কৃষক বাজার মাঠ প্রাঙ্গনে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে৷ রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজকর্মের খতিয়ান, ফ্লেক্স ও ব্যানারের মাধ্যমে তুলে ধরার পাশাপাশি এলাকার সংস্কৃতিকে তুলে ধরা হয় এই অনুষ্ঠানে মাধ্যমে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন মালদা জেলাপরিষদের সভাধিপতি গৌর চন্দ্র মন্ডল।

উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক কৌশিক ভট্টাচার্য, পুলিশ সুপার অর্ণব ঘোষ সহ তথ্য ও সম্প্রচার আধিকারিক প্রমুখ। এই মেলা অনুষ্ঠান চলবে আগামী ২৫ শে নভেম্বর পর্যন্ত। এবছর বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মানের পুরস্কার জেলার বিভিন্ন ক্লাবের হাতে তুলে দেওয়া হয় এই মঞ্চ থেকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।