স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: খাদ্যসাথী প্রকল্পের ফুড কুপন নিয়ে নয়া সিদ্ধান্ত রাজ্যের। রেশন গ্রাহকদের বরাদ্দ নিশ্চিত করতে এবার ফুড কুপন উপর বারকোড দেওয়া থাকবে। এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য খাদ্য দফতর।

লকডাউনের সময় রাজ্য সরকার বিনামূল্যে রেশনের ব্যবস্থা করলেও ডিজিটাল রেশন কার্ড না থাকায় শুরুতে অনেকেই সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন।

শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তাঁদের জন্য খাদ্যসাথী ফুড কুপন চালু করে রাজ্য সরকার। ২০২১ সালের জুন মাস পর্যন্ত ফুড কুপন চালু রাখার সিদ্ধান্তও হয়েছে। যতদিন না পর্যন্ত সব গ্রাহক ডিজিটাল রেশন কার্ড হাতে পাচ্ছেন, ততদিন কুপন চালু থাকবে বলে জানিয়েছে খাদ্য দফতর।

দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এতদিন কুপনে ক্রমিক নম্বর দেওয়া থাকত। নয়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ফুড কুপনে বারকোড থাকতেই হবে। রেশন দোকানে বসানো এফপিএস মেশিনে বারকোড ঠেকানো মাত্র সেই গ্রাহক এবং তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের তথ্য দেখতে পারবেন রেশন ডিলার।

কুপনে পদাধিকার উল্লেখে সরকারি অফিসারের ছাপানো সইও থাকবে। কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে খাদ্য দফতরের ইনস্পেক্টররা নিজেরা লগ-ইন করে ফুড কুপন ছাপিয়ে নিতে পারবেন। কুপন ছাপানো হয়ে গেলেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ফোনে একটা এসএমএস আসবে।

সেই মতো তিনি ফুড ইনস্পেক্টর, বিডিও, এসসিএফএস কিংবা আরও অফিস থেকে কুপন সংগ্রহ করতে পারবেন।ওই বারকোড থেকেই ডিজিটাল পদ্ধতিতে বোঝা যাবে গ্রাহক কতটা শস্য নিয়েছেন।

ফাইল ছবি

এদিকে, রেশনের খাদ্যসামগ্রী নিয়ে ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে খাদ্য দফতর। তাদের অভিযোগ, ‘প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ খাদ্য যোজনা’র গ্রাহকদের জন্য যে খাদ্যশস্য পাঠানো হচ্ছে তার মান খুবই খারাপ। বহু ছোলার বস্তায় পোকা ধরে গিয়েছে, গমের চেহারাও ভাল নয়।

খাদ্য দফতরের অফিসারদের বক্তব্য, এই মানের ছোলা, গম বণ্টন করলে গ্রাহকরা তো নেবেই না, উপরন্তু বড় মাত্রায় বিক্ষোভের আশঙ্কা রয়েছে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।